ক্রীড়া ডেস্ক
ফ্রান্স আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) নতুন জেন্ডার পরীক্ষার নীতিকে ‘একটি বড় ধরনের পিছিয়ে যাওয়া’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী মারিনা ফেরারি এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন একে অনৈতিক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
নতুন নীতির আওতায় নারী বিভাগে অংশ নিতে আগ্রহী অ্যাথলেটদের জন্য জেনেটিক পরীক্ষা বিশেষ করে এসআরআই- জিন শনাক্তকরণ বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক থেকে কার্যকর হতে পারে।
ফ্রান্সের মতে, এই সিদ্ধান্ত নৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও আইনি দিক থেকে প্রশ্নবিদ্ধ। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, এ ধরনের পরীক্ষা অতীতে বাতিল করা হয়েছিল এবং এটি বৈষম্যমূলক ও পুরনো ধারণার প্রতিফলন।
আইওসির নতুন নীতির ফলে কার্যত ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের নারী বিভাগে অংশগ্রহণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই নীতির সমর্থকদের মতে, এটি নারী ক্রীড়ায় ন্যায্যতা নিশ্চিত করবে, তবে সমালোচকরা বলছেন, এটি বৈষম্য বাড়াবে এবং অনেক অ্যাথলেটকে অন্যায়ভাবে বাদ পড়বে।



