পঞ্চগড় প্রতিনিধি
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। বইছে হিম বাতাস। কমেছে গরমের তীব্রতা। বন্ধ হয়েছে ঘরের পাখা। প্রকৃতির মাঝে ঘটেছে শীতের আগমন বার্তা। সব কিছুর মাঝে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন রূপের আবির্ভাব। শীতল বাতাস, গাছের পাতায় জমে থাকা বিন্দু বিন্দু শিশির কণা, সৃষ্টি হয়েছে অনাবিল শান্তি ধারা। গরমের অবসান শেষে শীতল বাতাস মানবজীবনে এনেছে স্বস্তি।
উত্তরাঞ্চলের সর্ব শেষ জনপদ পঞ্চগড়। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব খুবই কাছে। অতি সহজেই হিমালয় পাহাড়ের শীতল বাতাস এখানে স্পর্শ করে। প্রতি বছরই আগে ভাগে হাজির হয় শীতের আমেজ। এ বছর তার পরিবর্তন ঘটেনি। ভাদ্র মাসের শেষে প্রচণ্ড গরম থাকলেও বর্তমান সময়ে বিরতিহীনভাবে হিমশীতল বাতাস বইছে। সকাল ও বিকেলে কুয়াশা পড়ছে। প্রতিটি বাসা বাড়িতে বৈদ্যুতিক পাখা ঘোরানো বন্ধ হয়েছে। সাধারণ মানুষজন স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। মানবিক জীবনযাপন সবার মাঝে ফিরে এসেছে। ঋতুর প্রভাব শুধু গ্রামে নয় শহরেও পড়ে। তবে শহরের মানুষ নানামুখী কর্ম তৎপরতায় ব্যস্ত থাকে। কর্ম ব্যস্ততার কারণে ফুলের সুবাস আর অকৃত্রিম ভালোবাসা একটু দেরিতে পায়। অপর দিকে গাঁও-গ্রাম, পথঘাট, দিগন্ত জোড়া সবুজ মাঠে সাদা কুয়াশা প্রকৃতির মাঝে ঘাসের ওপর শিশির কণা জমতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষ গরম পোষাকের ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। কুয়াশা ঢাকা সোনালী রোদে কোমল অনুভূতি জেগে উঠেছে। শীতের স্নিগ্ধতা শুধু প্রকৃতিতে নয়, মানুষের হৃদয় প্রাণে প্রশান্তিতে ভরে উঠেছে। প্রতিটি সকাল, প্রতিটি রাত হয়ে উঠছে শান্তিময় এবং মনোমুগ্ধকর।



