ক্ষমতা না জনতা : বিএনপির পরীক্ষা

বাংলাদেশ আজ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে। প্রশ্নটি অস্পষ্ট নয়, দ্বিধার অবকাশ নেই- রাষ্ট্র কি জনগণের, নাকি ক্ষমতার? ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করে, নিজেকে জবাবদিহির আওতায় এনে, প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে জনগণের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত গণতন্ত্র। এটিই রাজনীতির আসল পরীক্ষা। নির্বাচন জেতা নয়, নির্বাচন জিতে কী করা হয়। বিএনপি যদি এই পথে হাঁটে, দেশ উপকৃত হবে এবং বিএনপি নিজেও ইতিহাসে একটি ভিন্ন জায়গা পাবে। আর যদি না হাঁটে, তাহলে তারা কেবল একটি রাজনৈতিক সুযোগই হারাবে না, হারাবে নিজেদের ভবিষ্যৎও। কারণ ইতিহাস ন্যায়ের পাশে দাঁড়ায়, ক্ষমতার পাশে নয়

রাজনীতির নির্মম সত্য হলো, যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগে জনতার ভাষায় কথা বলে, ক্ষমতায় এসে তারাই খুব দ্রুত ক্ষমতার ভাষায় কথা বলতে শুরু করে। এটি কোনো বিশেষ দলের দোষ নয়; ক্ষমতার নিজস্ব মাধ্যাকর্ষণ। এই মাধ্যাকর্ষণের টানেই যারা জনতার কণ্ঠস্বরকে সিঁড়ি বানিয়ে উপরে ওঠা মহলটি সেই কণ্ঠস্বর ভুলে যায়। সেখানেই সত্য হয়ে ওঠে সেই পুরনো প্রবাদ, ‘যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ।’

এই নিবন্ধের উদ্দেশ্য একটিই, বর্তমান ক্ষমতাসীন শক্তিকে স্পষ্ট করে বলা যে, পুরনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক, সংস্কারবিমুখ ও আত্মরক্ষামূলক রাজনীতিই যদি চলতে থাকে, তাহলে তা শুধু দেশের ক্ষতি করবে না, শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাসীনদেরও পতনের পথে ঠেলে দেবে এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিণতি হিসেবে, ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনর্বাসনের দরজাও খুলে দেবে।

বর্তমান বাস্তবতা : অর্জন ও অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘ম্যানিপুলেটেড’ বা ‘ম্যানেজড’ হওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন মহলে থাকলেও রাজনৈতিক বাস্তবতা আজ স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিনের গণভোটে জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেয়েছে। কিন্তু সেই সমর্থনকে আইনগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতায় রূপান্তরের প্রশ্নেই এখন রাজনৈতিক টানাপড়েন কেন্দ্রীভূত।

জুলাই আন্দোলন কেবল একটি সরকার পরিবর্তন করেনি। এটি একটি প্রতিশ্রুতি তৈরি করেছিল, রাষ্ট্রকে আরো জবাবদিহিমূলক, দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল করে তোলার প্রতিশ্রুতি। জুলাই সনদ শুধু একটি রাজনৈতিক দলিল নয়; এটি জনগণের আকাক্সক্ষাকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রূপ দেয়ার অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা, সাংবিধানিক ভারসাম্য, শক্তিশালী স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকানোর কাঠামোগত সংস্কার- এসব ছিল সেই অঙ্গীকারের মূল স্তম্ভ।

আজ সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রশ্নেই দেখা যাচ্ছে দ্বিধা, বিলম্ব, অনীহা। ক্ষমতার সেই পুরনো প্রবৃত্তির পুনরাবর্তন। এটি একটি মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে যে, রাষ্ট্র কি সত্যিই জনগণের জন্য, নাকি জনগণকে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল ও যেকোনো উপায়ে তা ধরে রাখার জন্য?

সংস্কার কেন থামে : ক্ষমতার মানসিকতার ব্যাধি
এখানে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। জুলাই সনদের সংস্কারপ্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে দেশের ক্ষতি নয়, উপকারই হতো। রাষ্ট্র শক্তিশালী হতো, প্রতিষ্ঠান মজবুত হতো, রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ত, ভবিষ্যতের সঙ্ঘাত কমত। জবাবদিহি, বিচারিক স্বাধীনতা, কার্যকর সংসদ, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা, ক্ষমতার ভারসাম্য- এগুলো কোনো দলের বিরুদ্ধে যায় না; এগুলো রাষ্ট্রকে সংহত করে, টিকিয়ে রাখে। এগুলো সবার জন্য।

তাহলে সংস্কার থামে কেন
কারণ সমস্যা সংস্কারে নয়, সমস্যা ক্ষমতাসীনদের মানসিকতায়। যখন ক্ষমতার লক্ষ্য সেবার বদলে নিয়ন্ত্রণমুখী হয়ে পড়ে, তখন সরকার আর জনগণের প্রতিনিধি থাকে না। তখন রাজনীতি আর জনকল্যাণের কথা ভাবে না, ভাবে কোন প্রতিষ্ঠানকে কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, কতটা সুবিধা ধরে রাখা যাবে, কতটা প্রভাব অটুট রাখা যাবে। ক্ষমতা একবার নিজেই উদ্দেশ্যে পরিণত হলে, জনগণ আর লক্ষ্য থাকে না- কেবল উপকরণে পরিণত হয়।

আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গ
আওয়ামী লীগকে সংগঠন হিসেবে কোণঠাসা করা গেছে। তাদের প্রকাশ্য রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি; কিন্তু তারপরও কি বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা থেকে তাদের সামাজিক ছাপ মুছে গেছে? না, যায়নি।

এখানেই সামনে আসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্য, দলকে চাপে রাখা যায়; কিন্তু তার সমর্থক সমাজকে চিরতরে মুছে ফেলা যায় না। সংগঠনকে দুর্বল করা যায়; ভোটারদের অদৃশ্য করা যায় না। প্রতীক নিষিদ্ধ করা যায়; কিন্তু রাজনৈতিক স্মৃতি, পরিচয়, সামাজিক আনুগত্য ও ভোটের প্রবণতা নিষিদ্ধ করা যায় না।

আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলছি না। বাস্তবতার কথা বলছি। আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে কাজ করতে না পারলেও তাদের সমর্থকদের নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়নি। তারা এখনো ভোটার, এখনো সমাজের অংশ। সুতরাং আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক বা সামাজিক প্রভাব শেষ হয়ে গেছে, এমন ধারণা কেবল ভুল নয়, এটি আত্মঘাতী রাজনৈতিক সরলতা।

ভয়ঙ্কর তিনটি শব্দ : ‘ওরাও তো একই’
বিএনপি যদি ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগের মতোই একই রাজনৈতিক সংস্কৃতি বজায় রাখে- ক্ষমতাকেন্দ্রিকতা, সংস্কারবিমুখতা, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, জবাবদিহির ঘাটতি, তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা নিজেদের অতীত নিয়ে আত্মসমালোচনায় যাবে না; বরং তারা অনুভব করবে, সমস্যা তাদের একার ছিল না। তারা বলবে- ‘দেখো, শেষ পর্যন্ত ওরাও তো একই’।

এটি বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিপদ। কারণ এই কয়েকটি শব্দই আওয়ামী লীগের পুরনো রাজনীতিকে নৈতিক আশ্রয় দিয়ে দেয়। তখন আওয়ামী লীগ নিজেকে বদলানোর প্রয়োজন অনুভব করবে না। তাদের সমর্থকরা পুরনো পথ ত্যাগ করার কারণ খুঁজে পাবে না। কারণ, পুরনো রাজনীতিই নতুন যুক্তির ভিত্তি পায়।

মানুষ পুরনো বিশ্বাস তখনই ছাড়ে, যখন তার সামনে উন্নততর বিকল্প দাঁড়ায়। ক্ষমতার পালাবদলে রাজনীতির চরিত্র না বদলালে মানুষ নিজের পুরনো বিশ্বাসের পক্ষেই যুক্তি খুঁজে পায়।

অর্থাৎ, আওয়ামী লীগকে দমিয়ে রাখাই মূল প্রশ্ন সেটি নয়। প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগের পুরনো পথ ভুল ছিল সেটি কীভাবে প্রমাণ করা যায়। সেটি কেবল একভাবেই সম্ভব, বিএনপিকে আওয়ামী লীগের বিপরীতে এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে; কথায় নয়, বাস্তব কাজে।

পুরনো রাজনীতির আত্মঘাতী পরিণতি
পুরনো ধারার রাজনীতি শুধু প্রতিপক্ষকে টিকিয়ে রাখে না, শেষ পর্যন্ত নিজেকেও ধ্বংস করে। এর পথটি সুনির্দিষ্ট, প্রথমে দল নৈতিকভাবে শূন্য হয়ে পড়ে। ঘোষিত আদর্শ থাকে কিন্তু চর্চা বদলে যায়। তারপর সাংগঠনিক অবক্ষয় শুরু হয়; ত্যাগী, চিন্তাশীল, দায়বদ্ধ মানুষেরা সরে যায়। জায়গা দখল করে সুবিধাভোগী, হিসাবি, ক্ষমতানির্ভর মানুষ। তারপর জনতার সাথে দূরত্ব তৈরি হয়- সমর্থন নীরব অসন্তোষে পরিণত হয় এবং সবশেষে, যে ক্ষমতার কাঠামোকে দল নিজের নিরাপত্তা ভেবে আঁকড়ে ধরেছিল, সেটিই একদিন তার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়।

এজন্যেই পুরনো রাজনীতির সবচেয়ে বড় ফাঁদ হলো, এটি মানুষকে নিজের শক্তি সম্পর্কে ভুল ধারণা দেয়। প্রশাসন পাশে, প্রভাবশালী বলয় পাশে, প্রতিপক্ষ দুর্বল, এই হিসাব যত দ্রুত গড়ে ওঠে, তত দ্রুত ভেঙেও পড়ে। কারণ ক্ষমতার অবকাঠামো আর জনসমর্থন এক জিনিস নয়। একটি যন্ত্রের মতো চালানো যায়, অন্যটি অর্জন করতে হয়।

ক্ষমতার অপব্যবহারের কোনো স্থায়ী মালিকানা নেই। আজ যে পদ্ধতি সুবিধা দিচ্ছে, কাল সেই পদ্ধতিই নিরাপত্তা কেড়ে নেবে। ইতিহাসে এই নিয়মের ব্যতিক্রম নেই।

রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সুযোগের হিসাব
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আরো কিছু বাস্তবতা আছে যা উপেক্ষা করা বিপজ্জনক। এনসিপি নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আলোচনায় থাকলেও সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রভাবশালী হয়ে উঠতে পারেনি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হলেও দলটি এমন কিছু গভীর সীমাবদ্ধতা বহন করে, যা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে তাদের আমূল পরিবর্তন অপরিহার্য। তুলনামূলক বিচারে জামায়াত মিসরের ইখওয়ানুল মুসলিমিন, তুরস্কের একে পার্টি কিংবা মালয়েশিয়ার পাকাতান হারাপানের মতো আধুনিক ইসলামপন্থী রাজনৈতিক ধারার দলে পড়ে না। এরদোগান বা আনোয়ার ইবরাহিমের মতো নেতারা ইসলামী মূল্যবোধকে আধুনিক রাজনৈতিক বাস্তবতার সাথে যুক্ত করে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আস্থা অর্জন করেছেন। জামায়াত সেই পথে অনেকটা পিছিয়ে।

ফলে বাংলাদেশের ক্ষমতার সমীকরণে জামায়াতের একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা বাস্তবসম্মত নয়। রাজনীতির মাঠের যে শক্তি একসময় বিএনপিকে সামনে এনেছে, সেই একই শক্তি পরিস্থিতিভেদে আওয়ামী লীগের পক্ষেও ভূমিকা রাখতে পারে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক ক্ষেত্র এখনো পুরনো ও প্রতিষ্ঠিত শক্তিগুলোর চক্রে আবদ্ধ। এই বাস্তবতা বিএনপিকে বিবেচনায় নিতে হবে।

আওয়ামী লীগের সমর্থকভিত্তিকে অদৃশ্য ধরে নেওয়া, মনে করা যে, তারা আর কোনো ভূমিকা রাখবে না, এটি কেবল ভুল বিশ্লেষণ নয়, ভবিষ্যৎ বিপর্যয়ের মুসাবিদা।

যে সুযোগ পুরো হাতছাড়া হয়নি
বিএনপির সামনে এখনো একটি আংশিক সুযোগ আছে। তারা চাইলে এখনো নতুন পথ দেখাতে পারে। এমন এক রাষ্ট্রচর্চা প্রতিষ্ঠা করতে পারে, যেখানে প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করা নয়, নিয়ম-কানুন শক্তিশালী করাই মুখ্য। এমন এক রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করতে পারে, যেখানে মানুষ প্রত্যক্ষ করবে, সংস্কার মানে প্রতিশোধ নয়। জবাবদিহি মানে প্রতিপক্ষকে অপমান করা নয়। প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা মানে ক্ষমতা হারানো নয়; বরং রাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদে সবার জন্য নিরাপদ করা। মানুষ এই বাস্তব সুফল দেখতে পেলে, সমাজের নৈতিক শক্তি দৃঢ় হতো। আওয়ামী লীগের ভেতরেও অতীতের ভুল পদ্ধতি ত্যাগ করার তাগিদ তৈরি হতে পারত। বিভিন্ন অদৃশ্য ষড়যন্ত্র ও কুটিল স্বার্থগোষ্ঠীর কবল থেকে মুক্ত হয়ে দেশে এক নতুন জাগরণ সৃষ্টি হতে পারত। বাংলাদেশের বিশাল জনসম্পদ নতুন উদ্দীপনায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারত।

একটি বিনীত আবেদন
তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীর প্রতি এই লেখকের বিনীত আবেদন, আপনারা নৈতিকতার আলোয় জেগে উঠুন। বিবেকের কণ্ঠস্বর শুনুন। মনে রাখুন, যে রাষ্ট্রযন্ত্রকে আজ স্বস্তিকর ভাবছেন, সেটিই কাল আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে। পুরনো রাজনীতি কখনো স্থায়ী জয় দেয় না, দেয় কেবল পালাক্রমে প্রতিশোধের সুযোগ। যে রাজনীতি প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে, সে রাজনীতি শেষ পর্যন্ত নিজের দলকেও দুর্বল করে।

ইতিহাস অপেক্ষা করছে
বাংলাদেশ আজ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে। প্রশ্নটি অস্পষ্ট নয়, দ্বিধার অবকাশ নেই- রাষ্ট্র কি জনগণের, নাকি ক্ষমতার? ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করে, নিজেকে জবাবদিহির আওতায় এনে, প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে জনগণের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত গণতন্ত্র। এটিই রাজনীতির আসল পরীক্ষা। নির্বাচন জেতা নয়, নির্বাচন জিতে কী করা হয়। বিএনপি যদি এই পথে হাঁটে, দেশ উপকৃত হবে এবং বিএনপি নিজেও ইতিহাসে একটি ভিন্ন জায়গা পাবে। আর যদি না হাঁটে, তাহলে তারা কেবল একটি রাজনৈতিক সুযোগই হারাবে না, হারাবে নিজেদের ভবিষ্যৎও। কারণ ইতিহাস ন্যায়ের পাশে দাঁড়ায়, ক্ষমতার পাশে নয়।

লেখক : কানাডা প্রবাসী রাজনৈতিক বিশ্লেষক