হামলায় খামেনির কন্যা, জামাতা, নাতি ও পুত্রবধূ নিহত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন বলে ইরানি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দাবি করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইরানে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা
ইরানে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা |সংগৃহীত

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মেয়ে, জামাই ও নাতি নিহত হয়েছেন।

এছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সাথে যোগসূত্র থাকা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, খামেনির এক পূত্রবধুও ওই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

এর আগে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণার কথা জানায়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শাসন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে। এক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভির রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

এরপর দেশটি দু’জন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ ছিলেন।

এদিকে সিবিএস নিউজ গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রায় ৪০ জন ইরানি কর্মকর্তা ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছে।

তবে এটা পরিস্কার নয় যে ওই কর্মকর্তারা একাধিক জায়গায় নাকি একটি জায়গাতেই অবস্থান করছিলেন।

তারা দাবি করেছে খামেনি ছাড়াও ইরানের বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হামলায় নিহত গেছেন।

সূত্র : বিবিসি