এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি পুরোপুরি গুজব বলে শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার।
রিউমার স্ক্যানার জানায়, প্রকৃতপক্ষে কোনো প্রশ্ন ফাঁস হয়নি। প্রতারক একটি চক্র টেলিগ্রাম বট ব্যবহার করে এডিট করা মেসেজ হিস্ট্রি দিয়ে কারসাজির মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।
রিউমার স্ক্যানার আরো জানায়, প্রশ্নফাঁসের দাবি তুলে ভাইরাল হওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজন নিজেই প্রতারণার শিকার হয়ে বিভ্রান্ত হয়েছেন। অন্যজন মজার ছলে এমন মন্তব্য করেছিলেন বলে জানিয়েছেন।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।
পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়েও বিএনপি ও নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশে গুজব, ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে রিউমার স্ক্যানার কাজ করছে।
সম্প্রতি সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যক্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ১৩৩টি গুজবের শিকার হয়েছেন তারেক রহমান। দল হিসেবে সর্বোচ্চ ৩৬০টি গুজবের শিকার বিএনপি। সূত্র : বাসস



