মিরপুর-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) বলেছেন, ‘জান দেব, তবু জুলাই দেব না।’
তিনি বলেন, ‘এই আন্দোলনে করতে গিয়ে অনেক ঝড়-ঝাপটা আসবে জানি, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের জাগিয়ে রাখতে, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংগ্রাম করে যাবো। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কোনো আপস করা হবে না।’
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুরের একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বুয়ামা) আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বুয়ামার সভাপতি ডা: তাওহিদ আল বেরুনীর সভাপতিত্বে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ডা: ফখরুদ্দিন মানিক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডা: এ এইচ আম মঈনুদ্দিন আহমেদ জিলানী, ডা: মকবুল হোসেন মিন্টু, ডা: হাসান আল বান্না প্রমুখ।
মীর আহমাদ বিন কাসেম আরো বলেন, ‘জনগণ আমাদের নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছেন, আমাদের সব কর্মকাণ্ড থাকবে জনগণের স্বার্থকেন্দ্রীক। আমাদের যতোটুকু সাধ্য এর পুরোটাই আমাদের জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাবো।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলন শুধু নির্বাচনের জন্য হয়নি, এটি সকল প্রকার বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড দ্রোহের নাম।’
বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদ মেডিসিন ও ইউনানী-আয়ুবেদিক চিকিৎসকদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে সংসদে কথা বলা অঙ্গীকার করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন তাদের জন্য বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের মতো একটি স্বতন্ত্র কাউন্সিলের দাবি করে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য সুতোর টানে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের ন্যায্য দাবি পূরণ হচ্ছে না। তাদের দাবির পক্ষে সংসদে কথা বলার অনুরোধ জানালে ব্যারিস্টার আহমাদ বিন কাসেম তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও চিকিৎসকদের ন্যায্য দাবির পক্ষে তিনি তার সাধ্যের মধ্যে সংসদে কথা বলে যাবেন। একইসাথে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের হয়রানী বন্ধে স্বতন্ত্র কাউন্সিল গঠন করতে, আইন পাস করতে এবং তাদের চাকরি রাজস্ব খাতে নিতে সহায়তা করবেন।



