দেশের পূর্বাপর রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করে সমকালীন প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সাতচল্লিশ, একাত্তর এবং চব্বিশের চেতনাকে ধারণ করে জাতীয় রাজনীতিতে আমাদের পথচলার গতিপথ নির্ধারণ করতে হবে। ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আলেম সমাজের সর্বাত্মক ভূমিকা বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
শনিবার (১৬ মে) সেগুনবাগিচায় বি এম এ ভবন জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের উদ্যোগে সমকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভাপতি বক্তব্যে মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, রাজনৈতিক বিভক্তি এবং মতপার্থক্যের মধ্যে থেকেও মতবিনিময়ের এ আয়োজনগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। পারষ্পরিক সৌহার্দ্য এবং সহনশীলতা বজায় রেখে ধারাবাহিকভাবে এ জাতীয় আয়োজন যত বেশি হবে, আগামী দিনের রাজনীতিতে সহাবস্থান ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা তত সহজ হয়ে আসবে।
মতবিনিময় সভায় মোনাজাতের আগের বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী বলেন, জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। রাজনৈতিক দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে আলেম সমাজের অভিভাবকত্বের জায়গায় ভূমিকা রাখার জন্য এ সংগঠনের জন্ম।
জাতীয় সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ এমপি বলেন, জাতীয় রাজনীতিতে আর ভাড়াটিয়া হয়ে থাকতে চাই না। মালিকানার সূত্রে সমকালীন প্রেক্ষাপটে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করতে আলেমদের স্বকীয় ধারার রাজনীতিতে ধারাবাহিক হতে হবে।
ওই মতবিনিময় সভায় সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশ-এর সহ-সভাপতি মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
সহ-সেক্রেটারি মাওলানা আদনান মাসউদের সঞ্চালনায় ওই মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, মাওলানা উবাইদুল্লাহ মধুপুর, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মাওলানা আবুল কাসেম আশরাফী, মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী, মাওলানা গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী, মাওলানা আবু মুহাম্মাদ রাহমানী, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মাওলানা শাহের জহিরী, মাওলানা আলী হাসান তৈয়্যব, মাওলানা সৈয়দ শামসুল হুদা, মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেমীসহ প্রতিনিধিত্বশীল আলেম, লেখক, সাংবাদিক, তরুণ চিন্তক ও সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিটিস্ট।



