ইউএনজিএ সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার সংলাপে যোগ দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

‘সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন এবং সবার জন্য বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে সক্ষম আরো কার্যকর ও সাড়া-দানে সক্ষম বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা এখন বিশ্বের প্রয়োজন।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান |ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক ইন্টারঅ্যাকটিভ সংলাপে যোগ দিয়েছেন।

জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক বুধবার ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির প্রার্থীদের নিয়ে এ অনানুষ্ঠানিক সংলাপের আয়োজন করেন। এটি ইউএন ওয়েবটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

‘সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবন’ শীর্ষক ৭১/৩২৩ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদপ্রার্থীদের নিজেদের ভিশন বিবরণী উপস্থাপন এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সাথে অনানুষ্ঠানিক সংলাপে অংশ নেয়া বাধ্যতামূলক। এর লক্ষ্য হলো নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আরো বেশি স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা।

সংলাপে সশরীরে ও ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রশ্ন পাঠিয়ে নাগরিক সমাজের সংগঠন ও ব্যক্তিরাও অংশ নেন।

এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমানের জাতিসঙ্ঘে তিন দশকের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে এবং নিউইয়র্কে জাতিসঙ্ঘ সচিবালয় ও জেনেভাভিত্তিক জাতিসঙ্ঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (আঙ্কটাড) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার ভিশন বিবরণীতে তিনি বলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন এবং সবার জন্য বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে সক্ষম আরো কার্যকর ও সাড়া-দানে সক্ষম বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা এখন বিশ্বের প্রয়োজন।

জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির নির্বাচন আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসঙ্ঘ সদরদফতরে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রচলিত আঞ্চলিক রোটেশন পদ্ধতি অনুযায়ী, ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ থেকে নির্বাচিত হবেন। ফিলিস্তিনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর এখন সাইপ্রাসই এ পদের জন্য বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। বাসস