যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় লাশটি বাংলাদেশী শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ কূটনৈতিক মিশন এই লাশ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
শুক্রবার (১ মে) এক বার্তায় ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (প্রেস) গোলাম মোর্তোজা এ তথ্য জানান।
ওয়াশিংটন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফ্লোরিডা পুলিশ বৃষ্টির ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করে লাশ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অনুরোধে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সাথে সমন্বয় করে লাশ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল নিখোঁজ হন। ২৪ এপ্রিল টাম্পা বে এলাকায় একটি সেতুর কাছ থেকে লিমনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
লিমনকে সর্বশেষ ক্যাম্পাসের বাইরের সেই অ্যাপার্টমেন্টে দেখা গিয়েছিল, যেখানে তিনি ২৬ বছর বয়সী হিশাম আবুঘারবিয়েহ এবং আরেকজন রুমমেটের সাথে থাকতেন। হিশামকেই এ খুনের সন্দেহভাজন হিসেবে ধারণা করা হয়।
পরে, সোয়াট টিম সন্দেহভাজনকে তার বাবা-মায়ের বাসা থেকে গ্রেফতার করে। টাম্পায় অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে হিলসবরো কাউন্টি কোর্টের বিচারক লোগান মারফি তাকে জামিন না দিয়ে আটক রাখার নির্দেশ দেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লিমনের শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং তাকে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। ২৬ এপ্রিল কাছাকাছি একটি জলাশয় থেকে দ্বিতীয় লাশ উদ্ধার করা হয়, যা এখন বৃষ্টির লাশ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।
এদিকে জামিল আহমেদ লিমনের লাশ আগামী ৪ মে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাসস



