মিটফোর্ডের ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ ২৭ জুলাই

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলাটি আদালত পরিবর্তন চেয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করছেন মর্মে সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
নিহত সোহাগ
নিহত সোহাগ |সংগৃহীত

রাজধানীর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় করা মামলায়, সজীব ব্যাপারীসহ ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আলমগীরের আদালতে মামলার প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মামলার বাদি নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম সাক্ষ্য দেয়ার জন্য আদালতে হাজিরা দেন।

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলাটি আদালত পরিবর্তন চেয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করছেন মর্মে সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন।

আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৭ জুলাই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত আলী বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট-সংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

ওই ঘটনায় পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।

নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে।

তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ২৯ ডিসেম্বর সজীব ব্যাপারীসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান। ২১ আসামির মধ্যে ১০ জন কারাগারে আটক আছেন। তিনজন জামিনে ও বাকি আটজন শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন।

গত ১২ জুলাই ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

সূত্র : বাসস