বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেন।
আজ বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এদিন প্রতিবেদন দাখিল করেনি।
এজন্য বিচারক পরবর্তী ধাপে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৭ জুলাই ধার্য করেন।
এর আগে, গত বছরের ১৮ জুলাই নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা যোগসাজশ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন করেছেন। তারা ৩০ কোটি টাকার বেশি চুক্তি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই সম্পন্ন করেন।
অভিযোগে আরো বলা হয়, ঠিকাদারের রানিং বিল থেকে কেটে নেয়া নিরাপত্তা জামানত এফডিআর হিসেবে ব্যাংকে রাখার পর সেই টাকা ঠিকাদারকে ঋণ হিসেবে দেয়ার জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ অনুমোদন তথা গ্যারান্টার হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের চার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।
এছাড়া, ঠিকাদারের সাথে চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ দেয়ার কোনো আইন না থাকা সত্ত্বেও, অগ্রিম বিল দেয়া হয় এবং অগ্রিম দেয়া বিল সময়ের আগেই বিলের বিপরীতে প্রদত্ত ব্যাংক গ্যারান্টিগুলো অবমুক্ত করা হয়।
প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের দেয়া ড্রইং বা ডিজাইন না মেনে সরকারি খাতে ক্রয় পদ্ধতির বিধি বহির্ভূতভাবে দ্বিতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয়া হয়। অস্বাভাবিক হারে মূল্য দাখিল বা ফ্রন্ট লোডিং থাকা সত্ত্বেও পিপিআর ২০০৮-এর বিধান অনুযায়ী দরপত্র মূল্যায়ন না করার অভিযোগও রয়েছে।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন বেরোবি’র সাবেক ভিসি ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো: জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার মো: আ: সালাম বাচ্চু ও এম এম হাবিবুর রহমান।
সূত্র : বাসস



