অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ প্রদানে বিশেষ নির্দেশনা

‘অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান পদ্ধতির কিছু ত্রুটি এবং কিছু ক্ষেত্রে কতিপয় ক্লার্ক কর্তৃক অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কিছু কর্মচারীর সাথে যোগসাজশে নোটিশ জালিয়াতির অভিযোগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস
অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস |সংগৃহীত

দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারিক স্বচ্ছতার স্বার্থে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস কাজলের নির্দেশক্রমে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত স্মারকে মঙ্গলবার (২ জুন) এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান পদ্ধতির কিছু ত্রুটি এবং কিছু ক্ষেত্রে কতিপয় ক্লার্ক কর্তৃক অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কিছু কর্মচারীর সাথে যোগসাজশে নোটিশ জালিয়াতির অভিযোগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। কতিপয় ব্যক্তির এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য আইনজীবী সমাজ ও দেশের সর্ব্বোচ্চ আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সকলকে অহেতুক বিব্রত বা সমালোচনার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

বিচারিক স্বচ্ছতার স্বার্থে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ প্রদানের ক্ষেত্রে যে সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়েছে সেগুলো হলো : মূল পিটিশনে শনাক্তকারী আইনজীবী এবং নোটিশে স্বাক্ষরিত আইনজীবী একই আইনজীবী হতে হবে। কোনো মামলার এফিডেভিট সম্পন্ন করার পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ জারি করতে হবে। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের জমাকৃত নোটিশে টেন্ডার নম্বর টাইপকৃত হতে হবে।

এছাড়াও এফিডেভিট সম্পন্ন হওয়ার পর মূল আবেদনপত্রের (ব্লু কপি) ফটোকপি এবং ওকালতনামার উভয় পৃষ্টাসহ অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ জমা দিতে হবে। কোনো আদালতে আগে দাখিলকৃত একই মামলা অন্য আদালতে তালিকাভূক্ত করার ক্ষেত্রে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নতুন নোটিশ প্রদানের সময় পূর্ববর্তী আদালতে দাখিলকৃত মামলার নোটিশের একটি অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে।

আগামী ১৪ জুন থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে। বাসস