মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পহেলা বৈশাখ উদযাপন

রাজধানী কুয়ালালামপুরের সুঙ্গাই বেসি এলাকার রাজাক সিটি রেসিডেন্সিতে এ আয়োজন করা হয়।

আশরাফুল মামুন, মালয়েশিয়া
বৈশাখী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা
বৈশাখী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা |নয়া দিগন্ত

মালয়েশিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সংগঠন ডিভাকিউআর্টের উদ্যোগে প্রবাসী বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ও প্রবাসীদের অংশগ্রহণে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়েছে।

রাজধানী কুয়ালালামপুরের সুঙ্গাই বেসি এলাকার রাজাক সিটি রেসিডেন্সিতে এ আয়োজন করা হয়।

বাঙালি ঐতিহ্যবাহী পোশাক, লোকজ সংস্কৃতি এবং গ্রাম বাংলার খাবারের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলা বছরকে স্বাগত জানান প্রবাসীরা। শোভাযাত্রা, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে প্রবাসের মাটিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে বাঙালি সংস্কৃতি। লাল-সাদা ও রঙিন পোশাকে পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশ নেন প্রবাসীরা। শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরো প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার পান্তা-ইলিশ, ফুচকা, ঝালমুড়ি, নারু, জিলাপি, সিঙ্গারা ও সমুচা। পাশাপাশি দেশীয় পোশাক ও অলংকারের প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

আয়োজনের প্রধান সমন্বয়ক ও এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আফ্রি নূর বলেন, ‘প্রবাসের মাটিতে এ আয়োজন যেন এক টুকরো বাংলাদেশ। সংস্কৃতি ও আপন ঘরের আবহে ভরপুর। এ ধরনের উদ্যোগ প্রবাসী শিক্ষার্থীদের শিকড়ের সাথে গভীর সংযোগ তৈরি করে ও সবাইকে একত্রিত রাখে।’

বৈশাখ উদযাপনে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি, টেইলরস ইউনিভার্সিটি, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি, সাইবারজায়া ইউনিভার্সিটি, মাহসা ইউনিভার্সিটি, সানওয়ে ইউনিভার্সিটি, এমএমইউ ইউনিভার্সিটি, ইউনিকেএল ইউনিভার্সিটি, আইইউকেএল ইউনিভার্সিটি, লিংকন ইউনিভার্সিটি, ইউপিটিএম ইউনিভার্সিটি, ইএলএমইউ ইউনিভার্সিটি, মোনাশ ইউনিভার্সিটি, ইউটিএম ইউনিভার্সিটি, ইউএম ইউনিভার্সিটি, ইউনিরাজাক ইউনিভার্সিটি ও সেগি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় ইভেন্ট উল্লাহ শহীদ ও ইভেন্ট ম্যানেজার হিসেবে সুমাইয়া আক্তার দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ইসলাম আসাদুল, মাশরুর, গোলাম, ওয়াসিউল আলম তালুকদার, শারমিন সুলতানা শিরিন, দেওয়ান মো: ইসরাক নূর, নির্জন পাল, জাওয়াহের জাহান, মাহজাবিন তুবা, নুসরাত জাহান ও সাফায়েত রহমানসহ এপিইউভিত্তিক বাংলাদেশী কমিউনিটির সদস্যরা সক্রিয়ভাবে কাজ করেন।