শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে সর্বমোট ৩৪ হাজার ১২৯টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেখানে পাঁচ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং দুই লাখ ছয় হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।
আজ বুধবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য (কুমিল্লা-২) মো: সেলিম ভূইয়ার টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একক এখতিয়ারভুক্ত নয়; বরং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা, বিদ্যমান নীতিমালা এবং জাতীয় বাজেটের সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৮ হাজার ৫৭৮টি স্কুলে দুই লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৮ জন শিক্ষক ও ৯৬ হাজার ৮৯২ জন কর্মচারী; এক হাজার ৪৯৩টি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫৯,৭৯৭ জন শিক্ষক ও ২০ হাজার ৭৮২ জন কর্মচারী এবং দুই হাজার ৭৩৮টি কলেজে ৮৬ হাজার ৬৪৬ জন শিক্ষক ও ৩১ হাজার ৯৫৬ জন কর্মচারী রয়েছেন।
নয় হাজার ২৯৩টি মাদরাসায় এক লাখ ৬৪ হাজার ৩৭১ জন শিক্ষক ও ৪৫ হাজার ৫২৪ জন কর্মচারী এবং দুই হাজার ২৭টি কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানে ২২ হাজার ৫০২ শিক্ষক ও ১১ হাজার ৫৪৫ কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।
এহসানুল হক মিলন জানান, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণ/জাতীয়করণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। পরে জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত শর্তাবলী যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে এবং প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুসরণপূর্বক তাদের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়।



