জরিপে তথ্য না দেয়ায় ১৫৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন স্থগিত

২০২৫ সালের বার্ষিক শিক্ষা জরিপ কার্যক্রম গত ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত সময়সীমা দেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে যে সকল প্রতিষ্ঠান তথ্য আপলোড করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) |সংগৃহীত

বার্ষিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জরিপ ২০২৫-এ প্রয়োজনীয় তথ্য না দেয়ায় দেশের ১৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

ব্যানবেইসের পরিসংখ্যান বিভাগের পরিচালক প্রফেসর মো: গোলাম ফিরোজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের বার্ষিক শিক্ষা জরিপ কার্যক্রম গত ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত সময়সীমা দেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে যে সকল প্রতিষ্ঠান তথ্য আপলোড করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ে তদন্ত এবং টেলিফোনিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানা গেছে, তালিকায় থাকা অনেক প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, কয়েকটির অস্তিত্ব নেই এবং কিছু প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র শর্ট কোর্স পরিচালনা করছে।

সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং একাডেমিক সুপারভাইজারদের প্রত্যয়ন ও সুপারিশের ভিত্তিতে এ স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়েছে বলে মাউশির মহাপরিচালককে জানিয়েছে ব্যানবেইস।

এর ফলে ব্যানবেইসের ডাটাবেজে এ প্রতিষ্ঠানগুলোর ইআইআইএন এখন থেকে কার্যকর থাকবে না।

সংযুক্ত তালিকায় ১৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট অধিদফতরগুলোতে (মাউশি, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাসস