জামায়াতের নায়েবে আমির ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নতুন সরকার গঠন করবে। যে সরকার হবে গত ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিরোধের সরকার। আপনারা কি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চান? না চাইলে ১১ দলীয় জোটে ভোট দিন। এবার চলছে যুক্ত আর মুক্ত পক্ষের নির্বাচন। আমরা মুক্ত আর অন্য একটি দল যুক্ত। অর্থ্যাৎ তারা দুর্নীতি আর চাঁদাবাজিতে যুক্ত। আর আমরা দুর্নীতি-চাঁদাবাজি মুক্ত।’
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সন্ত্রাসীদের হুশিয়ারি করে বলেন, ‘শুনেছি কেউ কেউ কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে। আপনারা হুমকিতে ভয় পান? অবশ্যই না। এবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতি ৫ মিনিট পর পর টহল দিবে। সুতরাং কেউ হুমকিতে ভয় না পেয়ে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম চৌদ্দগ্রামে চলবে না।’
তিনি হিন্দুদের উদ্দেশে বলেন, ‘জামায়াত ৫ আগস্টের পর আপনাদের নিরাপত্তা দিয়েছে। আমি আশা করি, অতীতের ন্যায় এবারও আপনারা আমাকে ভোট দিবেন।’
কালিকাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মমিনুল ইসলাম মজুমদারের সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা শাকিল চৌধুরীর সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সাবেক আমির আবদুস সাত্তার, বর্তমান আমির অ্যাডভোকেট মু. শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, এলডিপির নেতা ইঞ্জিনিয়ার কাজী ফেরদৌস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা আমির মাওলানা শাহজালাল, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মজুমদার, আবুল খায়ের, রুহুল আমিন, মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, এমদাদুল হক শাহী, ওয়াজি উল্যাহ ভুঁইয়া খোকন, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর হারুনুর রশিদ, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল হাশেম, জিএস খলিলুর রহমান, মাস্টার কফিল উদ্দিন, আবদুর রহিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক ফরিদুজ্জামান রুবেল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ শিবিরের সাবেক সভাপতি মাসুদ আলম ফয়সাল, ৬নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি জহির উদ্দিন তোহা, ৭নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হোসাইন মোরশেদ।
এসময় অন্যদের মধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীসহ এলাকার বিপুল সংখ্যক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করে।



