মতবিনিময় সভায় বক্তারা

কুলাউড়ার ৪ সিলিকা বালুর কোয়ারি বন্ধ থাকায় রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘সিলিকা বালুর কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলা হয়।

Location :

Kulaura
কুলাউড়ায় সিলিকা বালুর কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়
কুলাউড়ায় সিলিকা বালুর কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় |নয়া দিগন্ত

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চারটি সিলিকা বালুর কোয়ারি বন্ধ থাকায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মতবিনিময় সভায় মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, কোয়ারিগুলো দীর্ঘদিন ইজারা না দেওয়ায় রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘সিলিকা বালুর কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুল ইসলাম, বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর (বিএমডি) সহকারী পরিচালক (ভূ-পদার্থ) মো. মাসুক-উন-নবী, কনসালটেন্ট মিজানুর রহমান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু মাসুদ, কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি আজিজুল ইসলাম, বরমচাল ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম সুইট, হাজিপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুর আহমদ, ভাটেরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম পাখি, ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম এবং নাজমুল বারী সোহেল।

সভায় প্রকল্পের কনসালটেন্ট ফাহিম উদ্দিন তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন।

বক্তারা জানান, মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৫২টি সিলিকা বালুর কোয়ারি রয়েছে। এর মধ্যে কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নের দেওছড়া, বোবাছড়া, ঘাগড়াছড়া ও বড়ছড়া উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে এসব কোয়ারি বন্ধ থাকলেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।

সভায় বলা হয়, চারটি কোয়ারির মধ্যে দুটিকে ঘিরে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তবে পরিবেশগত প্রভাব ও সরকারি নীতিমালা বিবেচনায় এনে কোয়ারিগুলো দ্রুত ইজারা দেওয়ার পক্ষে স্থানীয়রা মত দেন। এতে একদিকে যেমন অবৈধ উত্তোলন বন্ধ হবে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।