মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

দেশের মানুষ পরিবর্তনের জন্য যুদ্ধ-লড়াই করলেও পরিবর্তন আসেনি

নাটক, গানসহ সব ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি কবিতার মধ্যে দিয়ে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ)

Location :

Naogaon
বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর |নয়া দিগন্ত

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি পরিস্কার নয়। দেশের মানুষ বার বার পরিবর্তনের জন্য যুদ্ধ করেছে-লড়াই করেছে কিন্তু কোনো পরিবর্তন আসেনি। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করে স্বাধীনতা নিয়ে আসতে হয়েছে। আবার গণতন্ত্র লড়াই করে ফিরিয়ে আনতে হয়েছে।’

শুক্রবার (৮ মে) বেলা ১১টায় নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠি আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় এই সমাজকে আবার অস্থির করে রাখতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ব মানবতার কবি। নাটক, গানসহ সব ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি কবিতার মধ্যে দিয়ে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন।’

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং নওগাঁ জেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে পতিসর দেবেন্দ্র মঞ্চে অনুষ্ঠিত রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ। এসময় ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, দৈনিক উত্তেফাক পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সালেহ উদ্দীন, নওগাঁ-৬ আসনের এমপি এসএম রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁ-৫ আসনের এমপি জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-১ আসনের এমপি মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ আসনের এমপি ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-১ আসনের এমপি এনামুল হক, সাবেক রাষ্ট্রদূত এম মুশফিকুল ফজল (আনসারী), রাজশাহী উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজাহান, নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধান অতিথি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে জন্মজয়ন্তীর উদ্বোধন করেন। আলোচনা সভা শেষে ঢাকা ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে আবৃত্তি, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।