ডোমারে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছাগল ও হাঁস পালনের অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমারের ১ নম্বর ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের ভোগডাবুড়ি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ছাগল ও হাঁস পালনের অভিযোগ উঠেছে ফার্মাসিস্টের বিরুদ্ধে।

ডোমার (নীলফামারী) সংবাদদাতা

Location :

Nilphamari
নীলফামারীর ম্যাপ
নীলফামারীর ম্যাপ |ফাইল ছবি

নীলফামারীর ডোমারের ১ নম্বর ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের ভোগডাবুড়ি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ছাগল ও হাঁস পালনের অভিযোগ উঠেছে ফার্মাসিস্টের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটির মূল গেট বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। কেন্দ্রের সামনের খোলা জায়গায় ছাগল পালন করা হচ্ছে এবং ছাগলের খাদ্যের জন্য ঘাস চাষ করা হয়েছে। এছাড়াও ভবনের ছাদে হাঁস পালনের ব্যবস্থাও দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা জানায়।

জানা গেছে, ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বর্তমানে একমাত্র ফার্মাসিস্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন পলাশ চন্দ্র রায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির ছাদে ছাগল ও হাঁস পালন করে আসছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে ছাগল পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ছাদের ওপর ঘর তৈরি করে চীনা হাঁস পালন করা হয়।

কিছুদিন আগে তিনি ওই কেন্দ্র থেকে দু’টি চীনা হাঁস ক্রয় করেছেন বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছাগল পালনের বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

১ নম্বর ভোগডাবুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেয়াজুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ‘অনেক আগেই এগুলো বন্ধ করার কথা ছিল। এর আগেও তো এরকম অভিযোগ শুনেছি। এখনো বন্ধ করেনি কেন? বিষয়টি দেখব।’

এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: হাসান আরিফ বসুনিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমি আজকেই শুনলাম। যদি সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছাগল বা হাঁস পালন করে বিক্রি করার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেটি অবশ্যই অগ্রহণযোগ্য। আমি সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’