ভোলার লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: জহির উদ্দিন বাবরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
বাবর ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জেবল হক মাস্টারের ছেলে এবং উত্তর ধলীগৌরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ধলীগৌরনগরে বাবরের সাথে দীর্ঘদিন তার প্রতিপক্ষ মো: মোজাম্মেল হক (৫০) গংদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধে নিষ্পত্তির জন্য একাধিকবার স্থানীয়ভাবে শালিসি ফয়সালায় বসে। কিন্তু নিষ্পত্তি না হওয়ায় উভয়পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছি।
রোববার সকালে মোজাম্মেল সেই বিরোধ জমি দখলে নিতে গেলে বাবর ও তার লোকজন বাধা দেয় এবং লালমোহন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করলে উভয়পক্ষকে সোমবার বিকালে কাগজপত্র নিয়ে থানায় যাওয়ার কথা রয়েছে।
কিন্তু সোমবার ফজরের নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ওঁৎ পেতে থাকা মোজাম্মেল, ঝিকু, মো: রাসেল (৩৫), মো: মাসুদ (৩৪), মো: কাঞ্চন মিয়া প্রমুখ প্রধান শিক্ষক বাবরের ওপর হামলা করে তার পায়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ও বাড়ির অন্যরা তাকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত মোজাম্মেল ও কাঞ্চন মিয়া বলেন, ওরা আমাদের চাচাতো ভাই। জমি নিয়ে আমাদের সাথে ফয়সালার তারিখ হলে ওরা শালিসে বসে না। আর আমরা তাকে মারপিট করিনি। সবই মিথ্যা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: অলিউল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা বা আহত হওয়ার কোনো সংবাদ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’



