ময়মনসিংহ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদুল্লাহকে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় তারাকান্দা উপজেলার হরিয়াগাই বাজার ঈদগাহ মাঠে ঢাকুয়া ইউনিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল শুরুর পূর্ব মুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত সংসদ সদস্যকে প্রধান অতিথি করে অনুষ্ঠানস্থলে প্রস্তুতি চলছিল। আয়োজকরা নামাজে থাকাকালে কয়েকজন যুবক এসে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে এক কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার বিচার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেন সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ। তিনি লেখেন, ‘দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন রাজনৈতিক সম্প্রীতির উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে—যেখানে প্রধান বিরোধী দলের ইফতারে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত হয়েছেন এবং একাধিক মন্ত্রীরা গেছেন।’
তার দাবি, ‘এমন প্রেক্ষাপটে তারাকান্দায় ইফতার মাহফিল শুরুর আগে আয়োজকদের অনুপস্থিতির সুযোগে ‘দুই বিএনপি কর্মী’ কাপুরুষের মতো ভাঙচুর চালিয়েছে।’
তিনি এ ঘটনাকে সন্ত্রাসী আক্রমণ আখ্যা দিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
তিনি আরো বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের সংস্কৃতি ছাড়া আর কোনো চর্চা চলতে পারে না। সন্ত্রাসের রাজনীতির বিরুদ্ধে জনগণ ইতোমধ্যেই তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। ফুলপুর-তারাকান্দায় যেকোনো সন্ত্রাসের রাজনীতি জনগণকে সাথে নিয়েই মোকাবেলা করা হবে।’
এ ঘটনার সাথে দলের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয় বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। তাদের বক্তব্য, রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিএনপির নাম জড়ানো হচ্ছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমদ বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’



