সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে আইসিইউতে নাফিজুর, হৃদয়বানদের কাছে সাহায্য কামনা

গত ১০ মার্চ রাস্তা পারাপারের সময় একটি গাড়ির চাপায় গুরুতর আহত হয় নাফিজুর রহমান। এতে তার মাথায় রক্তক্ষরণ হয়। পরে তাকে ঢাকার হোম কেয়ার হাসপাতাল ভর্তি করানো হয়। সেখান থেকে আবার ইবনে সিনায় ভর্তি করানো হয় এবং মস্তিষ্কের অপারেশন করে আইসিইউতে রাখা হয়।

Location :

Mirzapur
নাফিজুর রহমান পলাশ, (ডানে) আইসিইউতে ভর্তি
নাফিজুর রহমান পলাশ, (ডানে) আইসিইউতে ভর্তি |নয়া দিগন্ত

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

কর্মস্থলে যাওয়ার পথে একটি গাড়ির চাপায় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও বাম পা ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরে বর্তমানে পিজি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন মো: নাফিজুর রহমান পলাশ (৩২)। মধ্যবিত্ত পরিবারের শেষ সম্বল শেষ করে মস্তিষ্কের অপারেশন সম্পন্ন হলেও বাম পায়ের অপারেশন করা সম্ভব হয়নি। তাই তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বিত্তবানদের সহায়তা কামনা করেছেন তার পরিবার।

নাফিজুর একটি বেসরকারি কাপড়ের শোরুমে চাকরি করতেন। ১০ মার্চ ঢাকার উত্তরা এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নাফিজুর রহমান পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের মো: হাসেম হাওলাদারের ছেলে। তার মা-বাবা, স্ত্রী ও তিন বছরের একমাত্র কন্যাসন্তান রয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য আট থেকে ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শামিম আহম্মদ জানান, গত ১০ মার্চ রাস্তা পারাপারের সময় একটি গাড়ির চাপায় গুরুতর আহত হয় নাফিজুর রহমান। এতে তার মাথায় রক্তক্ষরণ হয়। পরে তাকে ঢাকার হোম কেয়ার হাসপাতাল ভর্তি করানো হয়। সেখান থেকে আবার ইবনে সিনায় ভর্তি করানো হয় এবং মস্তিষ্কের অপারেশন করে আইসিইউতে রাখা হয়। গত ২৫ মার্চ পিজি হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয় এবং বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন আছে নাফিজুর।

তিনি আরো জানান, তার চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে এখনো অনেক টাকা দরকার, যা তার পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব না। তাই সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন তার পরিবার।

আহত নাফিজুর রহমানের ছোট ভাই মো: তামিম হোসেন জানান, আমার ভাই ঢাকায় একটি ছোট শোরুমে চাকরি করত। ঢাকার উত্তরায় সড়ক পারাপারের সময় একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে মাথায় রক্ষক্ষরণ ও বাম পা ভেঙে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। ধার-দেনা করে এবং এমনকি মায়ের শেষ সম্বল গহনা বিক্রি করে এখন পর্যন্ত ভাইয়ের চিকিৎসা করিয়েছি। এখন বাম পা অপারেশন করাতে হবে।

তিনি আরো জানান, আমার ভাই বর্তমানে পিজি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছেন। তার ওপর আমার ভাবিও অসুস্থ। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এতো টাকা দিয়ে চিকিৎসা করানো প্রায় অসম্ভব। তাই দেশের ও দেশের বাইরের হৃদয়বান ব্যক্তির কাছে সাহায্য কামনা করছি। যাতে চিকিৎসা শেষে আমার ভাই নাফিজুর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

সাহায্য পাঠানো ও যোগাযোগের মোবাইল নাম্বার—
ছোট ভাই তামিম হোসেন সাইমুন— ০১৭৯৫-১২২৭৭৭ (বিকাশ)।