চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সিএনজি অটো রিকশাচালক সৎ বাবা আলমগীর (৩২)কে ছুরিকাঘাত করে পালিয়েছে ছেলে। ওই ঘটনায় মাকে আটক করেছে চন্দনাইশ থানার পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা দেড়টায় উপজেলার হাসিমপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বড়পাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত (পেটের নাড়িভুড়ি বের হয়ে যাওয়া) আলমগীরকে মুমূর্ষ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রের বরাত দিয়ে হাশিমপুর ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: আলী বলেন, একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেচা গাজীর বাড়ির মরহুম বদিউল আলমের স্ত্রী সখিনা খাতুন (৪৭) তার ছেলে সজীব(২৫) থাকা অবস্থায় একই এলাকার আহমদ আলীর ছেলে সিএনজি অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনকে (৩২) বিয়ে করে।
অপরদিকে সিএনজি অটোরিকশা চালক আলমগীর হোসেনের পূর্বের স্ত্রীসহ সংসার রয়েছে বলে জানা গেছে।
পরে সখিনা আক্তার সংসারের স্বচ্ছলতা আনতে দ্বিতীয় স্বামী আলমগীরকে একটি সিএনজি অটোরিকশা ক্রয়করে দেন। এর পর থেকে আলমগীর সখিনাকে এড়িয়ে চলা শুরু করেন। ঘটনার দিন ছেলে সজিব ও মা সখিনা আলমগীরকে ধরার জন্য চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের হাসিমপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বড়পাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় একই এলাকার জাকিরের দোকানের সামনে আলমগীরকে আটক করে। উভয়ই তর্কাতর্কি শুরুর এক পর্যায় সজীব আলেমদেরকে ছুরিকাঘাত করে এতে আলমগীরের পেটের নাড়ি ভুঁড়ি বের হয়ে পরে। এ সময় সজিব কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার মা সকিনা খাতুনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।
অপরদিকে আলমগীরকে মুমূর্ষ অবস্থায় প্রথমে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কা জনক হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে আলমগীর চট্রগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চন্দনাইশ থানার পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইলিয়াস খান।
তিনি জানান, এই ঘটনায় মা ছকিনা খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সজীবকেও গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।



