নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ছোট ভাই রাফি ওরফে মোহনকে (৩২) কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় বড় ভাই উজ্জলকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) রাতে শরিয়তপুরের চরাঞ্চল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার উজ্জল ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ সোনার বাংলা রোডের ফাজিল পাড়ার মো: বাবুল মিয়ার ছেলে।
শুক্রবার সকালে গ্রেফতারকৃত উজ্জল নিজ বাড়িতে ছোট ভাই রাফি ওরফে মোহনকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান। এঘটনায় নিহত মোহন ও উজ্জলের বাবা বাবুল মিয়া বাদি হয়ে হত্যা মামলা করেন।
মামলায় উল্লেখ্য করা হয়, নিহত মো: রাফি ওরফে মোহন (৩৪) বাদির ছোট ছেলে। সে একজন গার্মেন্টস কর্মী। বড় ছেলে উজ্জল মিয়া পেশায় একজন অটোরিকশা চালক এবং মাদকাসক্ত। উজ্জল গত কয়েকমাস ধরে বাড়ির দলিল চেয়ে আসছিল। দলিল দিতে রাজি না হওয়ায় ছোট ছেলে মো: রাফি ওরফে মোহনকে দিয়েও বাবা বাবুল মিয়ার নিকট থেকে বাড়ির দলিল নেয়ার চেষ্টা করে। এতে করে উজ্জল নিহত রাফি ওরফে মোহনের ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। এর জের ধরে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাদির দ্বিতীয় তলার উত্তর-পূর্ব পাশের রুম থেকে মোহন বের হওয়া মাত্র অভিযুক্ত উজ্জল মিয়া পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধারালো বটি দিয়ে মাথার দুই পাশে এবং পাছার ডান পাশে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
এসময় নিহত মোহনের ডাক-চিৎকারে বাদি ও তার স্ত্রীসহ নিচ তলার ভাড়াটিয়ারা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত উজ্জল ঘটনাস্থলে ধারালো বটি ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে গেলে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে গেলে সকাল ১০টার দিকে রাফি ওরফে মোহনের মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের পরপরই উজ্জল পালিয়ে যান। পরে নিজস্ব সোর্স ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শরিয়তপুরের চরাঞ্চল থেকে ঘাতক বড় ভাই উজ্জলকে গ্রেফতার করা হয়।



