কাউখালীতে কাঁচা বাজারে দিশেহারা ক্রেতারা

মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বল থাকার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কাঁচা মালসহ প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। ক্রেতাদের দাবি রমজান জোরে কঠোর তদারকি না থাকলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

Location :

Kaukhali
কাঁচা বাজারে দিশেহারা ক্রেতারা
কাঁচা বাজারে দিশেহারা ক্রেতারা |নয়া দিগন্ত

পিরোজপুরের কাউখালীতে রমজান মাসকে পুঁজি করে কাঁচামালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যর দাম পাগলা ঘোড়ার মতো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, দিশেহারা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষরা। বাজার ভেদে দামে পার্থক্য থাকলেও ক্রেতাদের অভিযোগ রোজা এলেই এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা চাহিদার সুযোগ নিয়ে দাম বাড়িয়ে দেন। অন্যদেরকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ ঘাটতি, পাইকারি বাজারে বাড়তি দাম ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কাউখালী দক্ষিণ বাজারে হাটের দিনে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিহালি লেবু ১০০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, মরমা ৭০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, ফুলকপি ৪০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, এক হালি কাঁচা কলা ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৩০ টাকা, প্রকারভেদে প্রতিপিস লাউ ৫০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা ক্রেতা সরোয়ার হোসেন জানান, রমজান মাস আসলেই একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা সকল প্রকার পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করে। আমাদের মত মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তির শেষ থাকে না।

খুচরা ব্যবসায়ী মানিক ও কাবুল হোসেন জানান, স্থানীয় পর্যায়ে কাঁচামাল চাহিদার তুলনায় খুবই কম তাই আমাদের খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কাঁচামাল ক্রয় করে বিক্রি করতে হয়। পরিবহন খরচসহ বিভিন্ন খরচের কারণে দাম একটু বাড়তি।

ভুক্তভোগীরা বলেন, মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বল থাকার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কাঁচা মালসহ প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। ক্রেতাদের দাবি রমজান জোরে কঠোর তদারকি না থাকলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।

এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে। যদি কোনো ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য দাম বাড়িয়ে বিক্রি করে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’