১৬ কুইক রিঅ্যাকশন টিমে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ

মো: মহসিনুল হক চৌধুরী জানান, নগরীর মোট ৫৭টি খালের মধ্যে ৩৬টি খাল এই মেগা প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। ড্রেনেজ মডেলিং অনুযায়ী এসব খালের কাজ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো জলাবদ্ধতামুক্ত হবে। বাকি ২১টি খালের পরিষ্কারের কাজ করছে সিটি করপোরেশন, যার জন্য তারা ৪৫ কোটি টাকার বাজেট পেয়েছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

Location :

Chattogram
সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের লেফটেন্যান্ট মো: মহসিনুল হক চৌধুরী
সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের লেফটেন্যান্ট মো: মহসিনুল হক চৌধুরী |নয়া দিগন্ত

কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ হয়ে পড়া চট্টগ্রাম শহরের পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ১৬টি কুইক রিঅ্যাকশন টিম গঠন করা হয়েছে। তারা যেকোনো সময় জলাবদ্ধ এলাকায় পৌঁছে নালা ও খাল পরিষ্কারের কাজ করবে। পাশাপাশি খালের সব অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের লেফটেন্যান্ট মো: মহসিনুল হক চৌধুরী।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে ৩৪ কনস্ট্রাকশন বিগ্রেড কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, খালের দু’পাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের জন্য অস্থায়ী বাঁধ দিয়ে পানি শুকিয়ে কাজ করতে হয়। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে প্রবর্তক মোড়সহ কয়েকটি স্থানে পানি জমে গিয়েছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্তমানে হিজড়া খালের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে এবং সব অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে। প্রবর্তক মোড়ে জমা হওয়া বুকসমান পানি রাত দেড়টার মধ্যেই খাল পরিষ্কার করার পর নেমে যায়।

বর্তমানে ২৯টি এক্সকাভেটর ও পর্যাপ্ত লোকবল নিয়ে বিভিন্ন খালের মাটি অপসারণের কাজ চলছে। এদিন সকাল ৮টার মধ্যেই খালের সব অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করে পানির পথ পরিষ্কার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা জানান, নগরীর মোট ৫৭টি খালের মধ্যে ৩৬টি খাল এই মেগা প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। ড্রেনেজ মডেলিং অনুযায়ী এসব খালের কাজ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো জলাবদ্ধতামুক্ত হবে। বাকি ২১টি খালের পরিষ্কারের কাজ করছে সিটি করপোরেশন, যার জন্য তারা ৪৫ কোটি টাকার বাজেট পেয়েছে। ভবিষ্যতে এই ২১টি খালের জন্য আলাদা সরকারি প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। তা সম্পন্ন হলে চট্টগ্রামে দীর্ঘমেয়াদে জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।