জামায়াতে ইসলামীর কয়রা উপজেলা আমির মাওলানা মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘সরকার ক্ষমতায় আসার আগে জুলাই সনদ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও বর্তমানে তার পরিপন্থী কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের নখের কালির দাগ শুকানোর আগেই জনরায়কে উপেক্ষা করে সরকার যে দুঃসাহসিকতা দেখাচ্ছে, জনগণ তা রুখে দেবে।
তিনি আরো বলেন, ৭০ শতাংশ জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে সরকার ইতোমধ্যে জনসমর্থন হারিয়েছে। জুলাই সনদ নিয়ে টালবাহানার খেসারত সরকারকে অচিরেই ভোগ করতে হবে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কয়রায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদ মোড় থেকে শুরু করে উপজেলা পরিষদ প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মাওলানা মিজানুর রহমান আরো বলেন, আন্দোলন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এর পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা বলা কঠিন। তবে সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হলে জুলাই সনদের সব শর্ত মেনে একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
‘জুলাই বিপ্লব’-এর বীর যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সনদে দেয়া প্রতিশ্রুতির মর্যাদা রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। একই সাথে বৈষম্যহীন ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে সনদের সব শর্ত অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
কয়রা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্ল্যার সঞ্চালনায় ও নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কয়রা উপজেলা সভাপতি মোল্লা শাহাবুদ্দীন শিহাব, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা আবু তাহের, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন আহমেদ, কয়রা সদর ইউনিয়ন আমির মিজানুর রহমান, বাগালি ইউনিয়ন আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন আমির মাস্টার নূর কামাল হোসেন, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত আমির খান ইসহাক আলী, কয়রা সদর ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি হাফেজ জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।



