কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে ৩০ মার্চ পৃথক তিনটি সফল অভিযান পরিচালনা করে।
সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধীনস্থ মহিষকুন্ডি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার হোসেনাবাদ গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় বাংলাদেশী চোরাকারবারি মো: মেহেদী হাসান হাদি (৩৫) কে হোসেনাবাদ থেকে ভারতীয় ১৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ আটক করা হয়।
আটক আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে উদ্ধারকৃত মাদক দ্রব্য সহ দৌলতপুর থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক সিজার মূল্য ৫,১০০/- (পাঁচ হাজার একশত) টাকা। একই দিন তেঁতুলবাড়িয়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার শাহারবাটি নামক স্থানে আরেকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ওই অভিযানে ভারতীয় ৪০ গ্রাম গাঁজা এবং ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তবে দুজন আসামি কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে উদ্ধারকৃত মাদক এবং অন্য আলামত পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩,৫২৯/- (তিন হাজার পাঁচশত ঊনত্রিশ) টাকা।
এছাড়াও ৩০ মার্চ ধর্মদাহ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ডিজিটি মাঠে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১০ বোতল মদ, ৫০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৫০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মূল্য ৩,১৫,০০০/- তিন লাখ পনেরো হাজার টাকা।
উল্লেখিত, তিনটি অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদক এবং অন্য মালামালের মোট আনুমানিক সিজার মূল্য ৩,২৩,৬২৯/তিন লাখ তেইশ হাজার ছয়শত ঊনত্রিশ) টাকা।
সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান দমনে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সর্বদা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশের নিরাপত্তা এবং যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে বিজিবির এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



