সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ইরানের মিসাইল হামলায় নিহত ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুনের (৩৫) লাশ নিজ দেশে পৌঁছেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় মামুনের লাশ।
বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মামুনের লাশ গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক।
নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন তিনি।
সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে তিনি প্রায় ১৫ বছর আগে সৌদি আরবে যান। সবশেষ ৫ বছর আগে তিনি দেশে এসেছিলেন। মা-বাবাসহ প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। তার স্ত্রীর নাম শারমিন আক্তার (৩০)। এ দম্পতির মাহেদী শেখ (৬) নামে একটি ছেলে সন্তান আছে।
জানা গেছে, ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল হামলায় মামুন গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণে মামুনের শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। পরে ১৭ মার্চ দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ১০দিন লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় আবদুল্লাহ আল মামুন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাকসুদুল হাসান এবং নিহতের মামাতো ভাই শাওন জানান, দুপুর ২টার দিকে মামুনের লাশ নিজ গ্রামের আসার পর পরিবারে লোকজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।



