বাগেরহাটে বজ্রাঘাতে নিঃস্ব আনন্দ-লোপা দম্পতি

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার জানায়, দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন আনন্দ মিস্ত্রি ও লোপা হালদার। বহু বছরের কষ্টে গড়া সংসার বজ্রপাতে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে, আর তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

Location :

Bagerhat
বাগেরহাটে বজ্রাঘাতে নিঃস্ব আনন্দ-লোপা দম্পতি
বাগেরহাটে বজ্রাঘাতে নিঃস্ব আনন্দ-লোপা দম্পতি |নয়া দিগন্ত

চিতলমারী (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার দড়িউমাজুড়ি গ্রামে বজ্রপাতে আগুন লেগে দিনমজুর আনন্দ মিস্ত্রি (৪০) ও তার স্ত্রী লোপা হালদার (৩৩) এবং স্কুলপড়ুয়া মেয়ে সংগীতার একযুগ ধরে গড়া সংসার মুহূর্তেই ছাই হয়ে গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনা খাবার প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

এর আগে, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। তবে পরিবারের সদস্যরা ঘরে না থাকায় প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার জানায়, দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন আনন্দ মিস্ত্রি ও লোপা হালদার। বহু বছরের কষ্টে গড়া সংসার বজ্রপাতে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে, আর তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের লিডার এস এম আব্দুর রহিম জানান, খবর পেয়ে রাতেই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আরো সহযোগিতা করা হবে।’