হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের গবেষণা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচটি ধাপে ‘স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস সাইন্টিফিক পেপার অ্যান্ড থিসিস রাইটিং’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

সাদাকাত আলী খান, দিনাজপুর

Location :

Dinajpur
হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের গবেষণা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন
হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের গবেষণা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন |নয়া দিগন্ত

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচটি ধাপে ‘স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস সাইন্টিফিক পেপার অ্যান্ড থিসিস রাইটিং’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-২ এ ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. মো: এনামউল্যা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো: শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম জাহাঙ্গীর কবির।

হাবিপ্রবির ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (আইআরটি) পরিচালক প্রফেসর ড. মো: আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো: আবু হাসান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস এম এমদাদুল হাসান এবং আই আর টি’র সহযোগী পরিচালক প্রফেসর ড. শরীফ মাহমুদসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: এনামউল্যা বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে মানসম্মত গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। ছাত্রজীবন থেকেই গবেষণার সাথে যুক্ত হতে পারলে পরবর্তীতে একজন ভালোমানের গবেষক হওয়া সহজ হয়। কারণ, গবেষণার ক্ষেত্রে কিভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়, পেপার লিখতে হয় এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের প্রধানতম কাজ হওয়া উচিত গবেষণা করা। গুণগত মানের গবেষক হওয়ার জন্য গবেষণায় বেশি বেশি সময় দিতে হবে। অনেকে বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহযোগিতা নিয়ে গবেষণার কাজ করেন। এতে গবেষণার সঠিক মান বজায় থাকে না।’ সময় ব্যবস্থাপনার মান বজায় রাখার প্রতি তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রথম দিনে ফিশারিজ এবং ভেটেরেনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স অনুষদের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ১৩২ জন শিক্ষার্থী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।