গাজীপুরে অনিয়মের অভিযোগে ফিলিং স্টেশন মালিক ও তেল ব্যবসায়ীর জরিমানা

সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে খোলা বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে তাসনীম ফিলিং স্টেশনের মালিক ইমরান হোসেনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মোহাম্মদ আলী ঝিলন, গাজীপুর

Location :

Gazipur
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, (ডানে) তেল নিতে পাম্পে দীর্ঘ লাইন
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, (ডানে) তেল নিতে পাম্পে দীর্ঘ লাইন |নয়া দিগন্ত

গাজীপুরে পৃথক ঘটনায় নির্ধারিত মূল্যের অধিক মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি ও অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে ফিলিং স্টেশন মালিকসহ দুই তেল ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার (২৯ মার্চ) সকালে ও শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই জরিমানা করেন।

কাপাসিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদুল হক জানান, উপজেলার ঘাগটিয়া চালা বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে খোলা বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে তাসনীম ফিলিং স্টেশনের মালিক ইমরান হোসেনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরো জানান, সরকারের নির্ধারিত মূল্যের বাইরে জ্বালানি বিক্রি করা সম্পূর্ণ অবৈধ। সংশ্লিষ্ট পেট্রোল পাম্প মালিকদের সরকারি নির্দেশনা মেনে নির্ধারিত দামে জ্বালানি বিক্রির নির্দেশ দেয়া হয়। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অপর ঘটনায় কালিয়াকৈর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিম শাহরিয়ার জানান, উপজেলার শ্রীফলতলী এলাকায় বাবর আলী মার্কেটে অবৈধভাবে ডিজেল মজুদের অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিযান চালাই। এ সময় তেল ব্যবসায়ী আবুল হোসেনের (৬৫) দোকানে অবৈধভাবে ড্রাম ও কন্টেইনারে প্রায় তিন হাজার লিটার ডিজেল মজুদ রাখার প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমান আদালত।

পরে ব্যবসায়ী আবুল হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি মজুদ রাখা ডিজেল সাধারণ গ্রাহকদের কাছে সরকার নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে বিক্রির নির্দেশ দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তিনি বলেন, লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া দাহ্য পদার্থ ও জ্বালানি তেল মজুদ রাখা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। স্থানীয় বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করা এবং অবৈধভাবে অতি মুনাফার আশায় জ্বালানি তেল মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অভিযান চলাকালে সংশিালষ্ট থানা পুলিশ ও উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।