শিল্পকলায় মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন : স্মরণ করা হয় ৪ গুণীজনকে

মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রথম পর্বে স্মরণ করা হয় পণ্ডিত রবিশঙ্করকে। তিনি ছিলেন একজন বিশ্ববিখ্যাত সেতারবাদক ও সুরকার, যিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্ব দরবারে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির লোগো
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির লোগো |সংগৃহীত

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চলছে জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান।

মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রথম পর্বে স্মরণ করা হয় পণ্ডিত রবিশঙ্করকে। তিনি ছিলেন একজন বিশ্ববিখ্যাত সেতারবাদক ও সুরকার, যিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্ব দরবারে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

মুখ্য আলোচক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ এর সঙ্গীত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অসিত দে।

একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক মেহজাবীন রহমান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে সেতার বাজান নিশীত দে এবং একক নৃত্য (তারানা) পরিবেশন করেন এস এম হাসান ইশতিয়াক।

পরে স্মরণ করা হয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার ও সুরবাহার বাদক শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতের অন্যতম পরিপূর্ণ সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁকে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) মু: বিল্লাল হোসেন খান এবং মুখ্য আলোচক ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ফওজিয়া খান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন সভাপতিত্ব করেন।

স্বাগত বক্তৃতা করেন একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক মেহজাবীন রহমান। অনুষ্ঠানে সেতার বাজান ফিরোজ খান ও জ্যোতি ব্যানার্জী।

এরপর স্মরণ করা হয় উপমহাদেশীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের কিংবদন্তি পুরুষ, সেতার ও সানাই এবং রাগসঙ্গীতের ঘরানার গুরু ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁকে।

দিনের শেষ অনুষ্ঠানে স্মরণ করা হয় ব্রতচারী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বহুল পরিচিত গুরু সদয় দত্তকে। বাসস