আগেরবার শিরোপা জিতেও উৎসব করতে পারেনি রিয়াল সোসিয়েদাদ। করোনার বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের। তবে এবার গলা ফাঁটানো আনন্দে মাতলো দলটা।
শনিবার টাইব্রেকারে আতলেটিকো মাদ্রিদকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল সোসিয়েদাদ। এই নিয়ে চতুর্থবার কোপা দেল রের শিরোপা জিতল তারা।
সেভিয়ায় ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ২-২ সমতায় শেষ হলে পেনাল্টিতে নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য। যেখানে পেরে উঠেনি আতলেটিকো।
সোসিয়েদাদের শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। কোপা দেল রে ফাইনাল ইতিহাসের দ্রুততম গোল করে এগিয়ে যায় তারা। প্রথম মিনিটেই হেডে বল জালে জড়ান অ্যান্ডার বারেনেটজিয়া।
তবে অষ্টাদশ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান লুকমান। গ্রিজমানের পাস বক্সে পেয়ে সোসিয়েদাদের তিন খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে নিচু শটে ঠিকানা খুঁজে নেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড।
সমতা ফেরার পর আক্রমণ পাল্টা-আক্রমণ চলতে থাকে দু’দলের। এর মাঝে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ওইয়ারসাবালের সফল স্পট কিকে দ্বিতীয়বার এগিয়ে যায় সোসিয়েদাদ।
আতলেটিকো গোলরক্ষক হুয়ান মুসো বক্সে লাফিয়ে হেড করতে ওঠা গেদেসের ঘাড়ে আঘাত করায় পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি। হলুদ কার্ডও দেখেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।
ম্যাচে ফিরতে দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া চেষ্টা চালায় আতলেটিকো। কিন্তু দ্বিতীয় গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। অবশেষে ৮৩তম মিনিটে চমৎকার গোলে স্কোরলাইন ২-২ করেন আলভারেস।
থিয়াগো আলমাদার পাস বক্সের সামনে পেয়ে বাঁ-পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। এরপর আর গোল না হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোল করতে না পারায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে বিজয়ের হাসি রিয়াল সোসিয়াবাদের। অন্যদিকে শিরোপা জয়ের অপেক্ষা বাড়ল আতলেটিকোর।
প্রতিযোগিতাটির ১০ বারের চ্যাম্পিয়ন আতলেটিকো অবশ্য সবশেষ শিরোপা জিতেছিল এক যুগের বেশি আগে, ২০১২-১৩ মৌসুমে।



