আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব হবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাঙালির লোকজ ঐতিহ্য ও গ্রামীণ খেলাধুলাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে সরকার বদ্ধপরিকর।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দিনব্যাপী বৈশাখী ক্রীড়া উৎসবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক
দিনব্যাপী বৈশাখী ক্রীড়া উৎসবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক |ইন্টারনেট

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক বলেছেন, মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পরিচিত করা।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী বৈশাখী ক্রীড়া উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক জানান, বাঙালির লোকজ ঐতিহ্য ও গ্রামীণ খেলাধুলাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে সরকার বদ্ধপরিকর।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে সমভাবে এগিয়ে নিতে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। মহিলা ক্রীড়া সংস্থার জন্য খুব শিগগিরই একটি বড় ধরনের ‘সারপ্রাইজ’ বা বিশেষ ঘোষণা আসার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘নারী ক্রীড়াবিদদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করা হবে।’

খেলাধুলাকে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। সমাজের সব বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মননশীলতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করে এগিয়ে যাব ইনশা আল্লাহ।’

দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন গ্রামীণ ও লোকজ খেলাধুলার পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড প্রদর্শিত হয়। আরচ্যারী, প্যারা গেমস, ভলিবল, হ্যান্ডবল, কাবাডি, সেপাক টাকরো, কুস্তি, লাঠি খেলা, বলি খেলাসহ বেশ কিছু লোকজ খেলায় প্রায় তিন শতাধিক ক্রীড়াবিদ এই উৎসবে অংশ নিয়েছে।