ফাইনালের প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেন। বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগও তৈরি করে তারা। তবে তবে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দৃঢ়তায় বেঁচে যায় আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।
ম্যাচের শুরু থেকেই লামিন ইয়ামাল, মিকেল ওয়ারিয়াসাবালদের আক্রমণে চাপে ছিল আর্জেন্টিনা। চতুর্থ মিনিটেই স্পেন এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু লামিন ইয়ামালের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
গোল না এলেও বলের দখল ও আক্রমণের ধারাবাহিকতায় স্পেনই ছিল এগিয়ে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের প্রেসিংয়ের কারণে স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে পারেনি।
মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও বলের দখল ধরে রাখতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। প্রথমার্ধের শেষদিকে মিকেল ওয়ারিয়াসাবালকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
এরপর ৪৪তম মিনিটে তাকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকে। তবে তাতে খেলায় গতি ফেরেনি।
এই অর্ধে স্পেন ৩ট শট নিয়ে ২টা লক্ষ্যে রাখলেও আর্জেন্টিনা কোনো শটই এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি। আর্জেন্টিনার দখলে বল ছিল ৬৫ শতাংশ আর স্পেনের ৩৫।



