বিশ্বকাপের আগে অনেকটা চেনা ছন্দে ব্রাজিল। দারুণভাবেই সারলো মিশন হেক্সার প্রস্তুতি। পানামাকে উড়িয়ে দেয়ার পর এবার মিসরকেও হারিয়ে দিল সেলেসাওরা।
ওহাইহোর ক্লিভল্যান্ডে রোববার ভোরে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। সব মিলিয়ে টানা তিন জয় পেল পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
প্রথম গোলটা যেন একরকম উপহার পেয়েছে ব্রাজিল। সপ্তম মিনিটে ডি-বক্সের একটু সামনে গোলরক্ষকের পাস পেয়ে সময় ক্ষেপণ করেন মিসরের মিডফিল্ডার মোহানাদ লাশিন। সেই সুযোগে তার পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে, শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন গিমারেস। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০ গোলে। তবে স্বস্তি ধরে রাখতে পারেনি দলটা, এবার পাল্টা উপহার দেয় তারা।
ব্রাজিলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস আশপাশে না দেখেই ব্যাকপাস দেন তিনি। কিন্তু বল গোলরক্ষক পর্যন্ত যাওয়ার আগেই ছুটে গিয়ে নিচু শটে আলিসনকে পরাস্ত করেন মিসরের জিকো।
১১ মিনিটেই জমে উঠে খেলা। ম্যাচে ফেরে ১-১ সমতা। এমতাবস্থায় প্রথমার্ধের বাকিটা সময় একচেটিয়া চাপ ধরে রাখল ব্রাজিল; একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেল। কিন্তু গোল আর মিলছিল না।
এভাবেই প্রথমার্ধ শেষ হলে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নয়টি পরিবর্তন আনেন ব্রাজিল কোচ। তবে তাতে খেলার ধারায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে সেলেসাওরা।
ফলাফল হিসেবে বদলি হিসেবে নামার সাত মিনিটের মাঝে ব্যবধান বাড়ান এন্ড্রিক। রাফিনিয়ার পাস ছয় গজ বক্সের বাইরে পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় জোরাল শটে গোলটি করেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড।
জাতীয় দলের হয়ে ১৭ ম্যাচে চারটি গোল হলো এন্ড্রিকের। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। বিপরীতে গোলের জন্য আর কোনো শটই নিতে পারছিল না মিসর। ব্যস্ত ছিল রক্ষণ সামলাতে।
ফলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। এবার আগামী রোববার ভোরে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে হেক্সা জয়ের স্বপ্নে অভিযানে নামবে তারা। ‘সি’ গ্রুপের বাকি দু’দল হাইতি ও স্কটল্যান্ড।



