মিউনিখে দেখা মেলেনি নাটকীয়তার, ফাইনালে পিএসজি

পিএসজি দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ গোলে বায়ার্ন মিউনিখকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছে। ফিরতি লেগ ১-১ ড্র হলেও শেষ মুহূর্তের গোল বায়ার্নকে আর ম্যাচে ফেরাতে পারেনি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মিউনিখে দেখা মেলেনি নাটকীয়তার, ফাইনালে পিএসজি
মিউনিখে দেখা মেলেনি নাটকীয়তার, ফাইনালে পিএসজি |সংগৃহীত

মিউনিখে নাটকীয় কিছু ঘটেনি। নিজেদের দূর্গেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বায়ার্ন। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় অপরাজিত থেকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে পিএসজি।

রোমাঞ্চকর সমীকরণের সামনে থাকলেও মাঠের ফুটবল ছিল বিবর্ণ। ফলাফলেও যা স্পষ্ট। বুধবার রাতে সেমিফাইনালের ফিরতি লেগ ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। তাতেই শেষ বাভারিয়ানদের স্বপ্ন।

দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ গোলের অগ্রগামিতায় শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে লুইস এনরিকের দল। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে আগামী ৩০মে আর্সেনালের বিপক্ষে খেলবে পিএসজি।

প্যারিসে ৯ গোলের পাগলাটে লড়াইয়ে ৫-৪ ব্যবধানে জয়ী পিএসজি এবার তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায়। খিচা কাভারাস্কেইয়ার বিদ্যুৎ গতির শট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জালে পাঠান উসমান দেম্বেলে।

এই অ্যাসিস্টে দারুণ এক কীর্তি গড়লেন কাভারাস্কেইয়া। তিনিই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক আসরে নকআউট পর্বে টানা সাত ম্যাচে গোল অথবা অ্যাসিস্ট করলেন।

এদিকে ম্যাচের মাত্র ১৩৯ সেকেন্ডের মাথায় গোল আসায়, মনে হচ্ছিল প্রথম লেগের মতো এই পর্বেও রোমাঞ্চকর কিছু হবে। অনেক গোলের দেখা মিলবে। তবে তেমন কিছু হয়নি।

ম্যাচের নির্ধারিত বাকি সময়ে ছিল কেবল হতাশা। প্রথমার্ধে কেবল একটি শট লক্ষ্যে রাখতে পারে বায়ার্ন। বিরতির আগে জামাল মুসিয়ালার ওই প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন পিএসজি গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়ার্ধেও পিএসজির শুরুটা হয় ইতিবাচক। দিজিরে দুয়ে ও কাভারাস্কেইয়া শট ঠেকিয়ে বায়ার্নকে লড়াইয়ে রাখেন নয়ার। ৬৪তম মিনিটে দুয়ারের আরেকটি শট ফিরিয়ে দেন তিনি।

অন্যদিকে পিএসজির রক্ষণভাগও ছিল দারুণ। এই মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে সবচেয়ে বেশি গোল করা বায়ার্নের ভয়ঙ্কর আক্রমণভাগ বেশ সামলেই রাখেন তারা।

যদিও একদম শেষ সময়ে এসে ফাঁটল ধরে রক্ষণে। যোগ হওয়া সময়ের একেবারে শেষ দিকে হ্যারি কেইন গোল করেন। তার গোলে ম্যাচে সমতা ফেরে বটে, কিন্তু ততক্ষনে বেশ দেরি হয়ে গেছে।

দুই লেগ মিলিয়ে পিএসজির সাথে ওই এক গোলের ব্যবধান আর ঘুচাতে পারেনি বায়ার্ন। ৬-৫ গোলে এগিয়ে শিরোপার মঞ্চে পৌঁছে যায় পিএসজি। হ্যারি কেইনকে হতে হয় আরো একবার হতাশ।