আতলেতিকোকে হতাশ করে ২ দশক পর ফাইনালে আর্সেনাল

আর্সেনাল ২০ বছর পর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে উঠেছে, আতলেতিকো মাদ্রিদ-কে হারিয়ে; জয়ের নায়ক বুকায়ো সাকা।

সংগৃহীত

স্বপ্নপূরণের পথে গানাররা, ফুরাল তাদের দু’দশকের অপেক্ষা। আতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে ২০ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনাল। জয়ের নায়ক বুকায়ো সাকা।

মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে তার একমাত্র গোলেই উচ্ছ্বাসে মেতেছে আর্সেনাল। আতলেতিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে তারা।

গত সপ্তাহে মাদ্রিদে প্রথম লেগে ১-১ ড্র করেছিল মিকেল আর্তেতার দল। দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ গোলে জিতে ফাইনালের টিকেট পেল আর্সেনাল।

আর্সেনাল এর আগে মাত্র একবারই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলেছিল, ২০০৬ সালে। অবশ্য শিরোপা জেতা হয়নি, সেবার ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় তারা।

এবার জিততে পারলে এটাই হবে ক্লাবের ইতিহাসের সেরা অর্জন। আগামী ৩০ মে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে গড়ানো ফাইনালে আর্সেনালের প্রতিপক্ষ হবে বায়ার্ন মিউনিখ অথবা পিএসজি।

বেশিভাগ সময় বল পায়ে রাখলেও নিজেদের গুছিয়ে নিতে একটু সময় নেয় আর্সেনাল। এরপর টানা কয়েকটি ভালো আক্রমণ করে তারা, কিন্তু প্রতিবার শেষটায় গড়বড় হয়ে যায়।

বিপরীতে, আতলেতিকো কৌশল নেয় ঘর সামলে প্রতি-আক্রমণ শাণানোর। সেই লক্ষ্যে রক্ষণ জমাট রেখে কাজটা দারুণভাবেই করতে থাকে দলটি। সেই প্রতিরোধ ভাঙে প্রথমার্ধের শেষ দিকে।

যখন মনে হচ্ছিল, গোলশূন্য থেকে বিরতিতে যাবে দু’দল। তখন ৪৩ মিনিটে চমৎকার এক আক্রমণে জোরাল শট নেন লেয়ান্দ্রো ট্রসার্ড। সেটি অবশ্য ঠেকিয়ে দেন আতলেতিকো গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক।

তবে শেষ রক্ষা হয়নি, ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে যান সাকা। বাম পায়ের আলতো টোকায় বাকি কাজ সহজেই সারেন তিনি।

আতলেতিকো অফসাইডের মৃদু আবেদন করলেও তা ধোপে টেকেনি।

দর্শকদের নিয়ে উল্লাসে মাতে আর্সেনাল।স্বাগতিকদের গর্জন বেড়ে হয় দ্বিগুণ। দুই লেগ মিলিয়ে তখন ২-১ গোলে এগিয়ে যায় গানাররা। যেই ব্যবধান আর মেটাতে পারেনি আতলেতিকো।

বিরতির পর বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও হতাশ হতে হয় গ্রিজমানদের। অন্যদিকে গোলের ব্যবধান আর বাড়ানো হয়নি আর্সেনালের। সাকার একমাত্র গোলটাই হয়ে উঠে ম্যাচের প্রতীক।