বিশ্বকাপ চলাকালেই ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনি গোলরক্ষক সালিম নিহত

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন খাদামাত খান ইউনিসের গোলরক্ষক সালিম খাদের আল-আশকার।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সালিম খাদের আল-আশকার
সালিম খাদের আল-আশকার |সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের জমকালো আসর আর উন্মাদনায় যখন কাঁপছে পুরো বিশ্ব, ঠিক তখনই গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে হত্যার শিকার হয়েছেন আরো এক ফিলিস্তিনি ফুটবলার। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ‘খাদামাত খান ইউনিস’-এর নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক ৩২ বছর বয়সী সালিম খাদের আল-আশকারকে গুলি করে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী।

ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা ওয়াফা ও ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, খান ইউনিসের আল-কারারা এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান ৩২ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক।

গাজার ফুটবল অঙ্গনে পরিচিত মুখ ছিলেন সালিম। খাদামাত খান ইউনিসের পাশাপাশি আল-আকসা ও আল-মুসাদ্দার ক্লাবের জার্সিতেও খেলেছেন তিনি।

সালিম শুধু একজন ফুটবলারই ছিলেন না, ছিলেন একটি পরিবারের একমাত্র ছেলে, সাত বোনের একমাত্র ভাই।

মাত্র পাঁচ মাস আগেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন তিনি। অপেক্ষা করছিলেন প্রথম সন্তানের মুখ দেখার। সেই অপেক্ষা আর পূরণ হলো না।

গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে অসংখ্য আক্রমণ ঠেকানো এই গোলরক্ষক শেষ পর্যন্ত নিজের জীবনটিই রক্ষা করতে পারলেন না।

শুধু সালিম নয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯ জন ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদ নিহত হয়েছেন। যাদের মাঝে ৫৬৭ জনই ফুটবল-সংশ্লিষ্ট।