ডুলির সাথে এখনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি করেনি বাফুফে!

‘আমি বাফুফে সভাপতিকে বলেছি, আমরা সান মারিনোর বিপক্ষে যে ম্যাচটি হবে সেটি কোচের জন্য পরীক্ষা হিসেবে দেখতে চাই। যে কোচ এসেছেন তার বিষয়ে বলা হয়েছে, সামনের যে ম্যাচটি আছে সেটিকে ‘অন টেস্ট’ হিসেবে দেখব। এই ম্যাচ দেখার পর এই কোচের বিষয়ে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
থমাস ডুলি
থমাস ডুলি |সংগৃহীত

থমাস ডুলি আসার পর মনে হয়েছিল কোচ নিয়ে নাটকীয়তা হয়তো এবার শেষ হচ্ছে। তবে না, শেষ হয়েও হচ্ছে শেষ হচ্ছে না এই জটিলতা। বাফুফের গোপন হাঁড়ি ভেঙে দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

হাভিয়ার কাবরেরার বিদায়ের পর অনেক জল্পনাকল্পনা শেষে গতকালই (শুক্রবার) নতুন কোচ থমাস ডুলিকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

তবে চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা বা মেয়াদকাল নিয়ে কিছু জানানি তিনি। তবে বাফুফে সভাপতি আগেই একবার বলেছিলেন, নতুন কোচ যাকেই নেয়া হোক, চুক্তি হবে দুই বছরের। শনিবার দুপুর পর্যন্ত তেমন খবরই ছিল।

তবে মিরপুর সিটি ক্লাবে ‘এএফসি গ্রাসরুট ফুটবল ডে ও ওয়ার্ল্ড ফুটবল ডে ২০২৬’ উদ্বোধন করতে গিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কোচ নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে নতুন করে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

বাফুফে থেকে দুই বছরের কথা বলা হলেও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন এক ম্যাচের কথা। অর্থাৎ আগামী ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে যে ফিফা ফ্রেন্ডলি খেলবে সেই ম্যাচটি নাকি ডুলির এসিড টেস্ট।

কি বলেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী? ‘আমি বাফুফে সভাপতিকে বলেছি, আমরা সান মারিনোর বিপক্ষে যে ম্যাচটি হবে সেটি কোচের জন্য পরীক্ষা হিসেবে দেখতে চাই।’

‘যে কোচ এসেছেন তার বিষয়ে বলা হয়েছে, সামনের যে ম্যাচটি আছে সেটিকে ‘অন টেস্ট’ হিসেবে দেখব। এই ম্যাচ দেখার পর এই কোচের বিষয়ে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’

তার মানে এখনো ডুলির সাথে প্রধান কোচ হিসেবে কোনো চুক্তিই হয়নি বাফুফের। ফেডারেশনের এবং ন্যাশনাল টিম কমিটির একাধিক সদস্যের সাথে যোগাযোগ করলে কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি।

তবে একাধিক সদস্য বলেন, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর তারা একটা বিব্রত অবস্থার মধ্যে পড়েছেন।

ক্রিস কোলম্যানকে নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলে তিনি সম্মত হয়েছিলেন। তবে ডুলির বিষয়ে কোনো সহযোগিতা চাওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী নিজেই।

তিনি বলেন, ‘কোলম্যানে বিষয়ে আমার কাছে যে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল তাতে আমি রাজিও হয়েছিলাম। তবে ডুলির বিষয়ে আমার কাছে কোনো সহযোগিতা চায়নি বাফুফে।’