শক্তিমত্তায় বাংলাদেশের চেয়ে চীন কতটা এগিয়ে সেটি না বললেও চলে। তারপরও প্রথমার্ধে মোটামুটি লড়াইয়ের চেষ্টা করেছে লাল সবুজের মেয়েরা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ননথাবুড়ি স্টেডিয়ামে চীনের কাছে ২-০ গোলের পরাজয় মেনে মাঠ ছাড়ে পিটার বাটলারের দল। দুটি গোলই হয়েছে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে।
এর আগে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের কাছে ২-৩ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ভিয়েতনামকে ৩-০ গোলে হারানো চীন পরপর দুটি জয় তুলে নিলো।
চীনকে বাংলাদেশ তেমন কোনো চ্যালেঞ্জই জানাতে পারেনি। বিপরীতে চীন শুরু থেকেই আক্রমণ করে গেছে। যদিও পোস্টে মিলি আক্তার লড়াই করে গেছেন। তার কল্যাণেই প্রথমার্ধে স্বস্তিতে ছিল বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বাংলাদেশের দেয়ালে চিড় ধরে। ৪৭তম মিনিটে জেং ইউ জুইয়ার কাট ব্যাক পেয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান ইউ জিংউই। গোল পেয়ে শেষ দিকে আক্রমণ আরো বাড়ায় চীন।
সুবাদে ৮২তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল পায় তারা। ওয়াং আই ফাংয়ের জোরাল ফ্রি কিক রক্ষণ দেয়ালের পাশে দিয়ে বেরিয়ে, ঝাঁপিয়ে পড়া মিলির গ্লাভস ছুঁয়ে জালে জড়ায়।
পরের মিনিটে ভুল করেন আফঈদা খন্দকার। চীনের বদলি খেলোয়াড় লু জিয়াকির ক্রসে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ফাকায় তার পায়েই তুলে দেন বাংলাদেশ ডিফেন্ডার।
যদিও গোলমুখের সামনে থেকে অবিশ্বাস্য মিসে গোল পায়নি চীন। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে এবার দারুণ ব্লকে চীনের ব্যবধান বাড়াতে দেননি আফঈদা। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চীন।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ৭ এপ্রিল, ভিয়েতনামের বিপক্ষে। দুই ম্যাচে হারলেও শেষ আটে উঠার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বাংলাদেশের।
শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামকে হারাতে পারলে তিন গ্রুপের মধ্যে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে যেতে পারে বাংলাদেশ।



