বিশ্বকাপের হতাশা কাটাতে বদ্ধপরিকর জার্মানি

গ্রুপ ‘ই’-তে জার্মানির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে আইভরি কোস্ট। ‘এলিফ্যান্টস’রা ২০১৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে ফিরছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জার্মানি ফুটবল দলের লোগো
জার্মানি ফুটবল দলের লোগো |বাসস

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি সাম্প্রতিক বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে উঠতে ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলতে উত্তর আমেরিকায় যাচ্ছে। কারণ গত দুই আসরেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল তারা।

২০১৪ সালের ফাইনালে মারাকানায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মারিও গোয়েতজের অতিরিক্ত সময়ের জয়সূচক গোলের পর থেকে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জার্মানির সময়টা ছিল খুবই হতাশাজনক। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে শিরোপা রক্ষার মিশন শেষ করেছিল গ্রুপের তলানিতে থেকে। এরপর ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও একই পরিণতি হয় তাদের।

রিও ডি জেনিরোতে ট্রফি জয়ের পর থেকে বিশ্বকাপে জার্মানি মাত্র দু’টি ম্যাচ জিতেছে। একটি সুইডেন ও অন্যটি কোস্টারিকার বিপক্ষে।

২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ই’-তে নকআউট পর্বে ফিরতে জুলিয়ান নাগেলসমানের দলের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াবে ২০২৩ আফ্রিকান নেশন্স কাপের চ্যাম্পিয়ন আইভরি কোস্ট, ইকুয়েডর ও বিশ্বকাপে অভিষেক হতে যাওয়া কুরাসাও।

৩৮ বছর বয়সী নাগেলসমান দুই বছর আগে জার্মানির দায়িত্ব নেয়ার পর দলটির পারফরম্যান্সে উন্নতি দেখা গেছে। ফ্লোরিয়ান রিটজ ও জামাল মুসিয়ালার মতো তরুণ প্রতিভা, পাশাপাশি জসুয়া কিমিচ ও অ্যান্টোনিও রুডিগারের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা এ উন্নতির নেতৃত্ব দিয়েছেন।

নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত ইউরো ২০২৪-এ তারা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে এবং পরের বছর উয়েফা নেশনস লিগে শেষ চার থেকে বিদায় নিয়েছিল। তবে দুই ক্ষেত্রেই তারা শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়া স্পেন ও পর্তুগালের কাছে হেরে যায়।

গ্রুপ ‘ই’-তে জার্মানির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে আইভরি কোস্ট। ‘এলিফ্যান্টস’রা ২০১৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে ফিরছে।

অন্যদিকে ইকুয়েডর দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে দ্বিতীয় হয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। বাছাইপর্বের টেবিলে তারা ব্রাজিল, উরুগুয়ে ও কলম্বিয়ারও ওপরে ছিল। ফলে ৪৮ দলের এই সম্প্রসারিত বিশ্বকাপে তারা শুধু অংশ নিতেই আসছে না; বরং শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই মাঠে নামবে।

সূত্র : বাসস