ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‘খেলাধুলা সমাজে বৈষম্য দূরীকরণে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। আমাদের স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি নির্মাণে কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। আমরা চাই ব্রিটিশ সরকারের কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়রা আরো আধুনিক ও বিশ্বমানে নিজেদের পরিনত করার সুযোগ পাবে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হকের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হকের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক |সংগৃহীত

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হকের সাথে আজ সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দ্বিপক্ষীয় এ বৈঠকে বাংলাদেশে নারী ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, যুব সমাজকে দক্ষ করে তোলা এবং দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া কূটনীতি শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক বলেন, ‘ক্রীড়া কূটনীতি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে আমরা সম্প্রতি দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস কার্যক্রম শুরু করেছি। এ কার্যক্রমের আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের বাছাই করে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য বিকেএসপিতে পাঠানো হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, খেলাধুলা সমাজে বৈষম্য দূরীকরণে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। আমাদের স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি নির্মাণে কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। আমরা চাই ব্রিটিশ সরকারের কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়রা আরো আধুনিক ও বিশ্বমানে নিজেদের পরিনত করার সুযোগ পাবে।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে যুক্তরাজ্য অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে আগ্রহী। বিশেষ করে কমনওয়েলথ গেমসকে সামনে রেখে সাঁতার, বক্সিং ও মার্শাল আর্টের মতো খেলাধুলা নিয়ে যৌথভাবে আমরা কাজ করতে পারি। এছাড়া প্যারালিম্পিক গেমসে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আমরা সমাজের প্রতিটি স্তরে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে চাই, যা দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করবে। বাসস