রাওয়ালপিন্ডিতে বছর দুয়েক আগে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে আগের ১৩ টেস্টে যেখানে জয়ই ছিল না বাংলাদেশের, সেখানে পরপর দুই ম্যাচে তাদের মাঠেই জিতেছিল টাইগাররা।
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশ জিতেছিল ২-০ ব্যবধানে। সেই সিরিজের পর এবারই প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে কয়েকদিন আগেই ঢাকায় এসেছে পাকিস্তান দল।
আগামী শুক্রবার মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে খেলা।
তার আগে আজ বুধবার দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। যেখানে তিনি স্মরণ করেন রাওয়ালপিন্ডির সেই ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের ঘটনাও।
সিমন্স বলেন, ‘ওটা ইতিহাস। সেই ইতিহাস চলে গেছে। আমরা নতুন ইতিহাস তৈরি করতে চাই, আমরা শুক্রবারের দিকে তাকিয়ে আছি, দেখা যাক কী হয়। আগে কী হয়েছে, তাতে এখন আর কিছু যায় আসে না।’
তবে ওই সিরিজটা যে বাংলাদেশকে ভেতরে- ভেতরে আত্মবিশ্বাস জোগাবে, তাও স্বীকার করেছেন সিমন্স, ‘হ্যাঁ, মাথায় তো তা থাকবেই। এটা ভেতরে–ভেতরে আপনাকে প্রেরণা দেবে যে শেষ ম্যাচটা জিতেছেন।’
‘কিন্তু এখন এটা নতুন ম্যাচ, নতুন জায়গা। আমরা এখন বাংলাদেশে আছি, পাকিস্তানে নয়। ওসব পেছন ফেলে আমাদের এই ম্যাচের দিকেই মনোযোগ দিতে হবে।’ যোগ করেন সিমন্স।
এই সিরিজটাও জয়ের দিকেই লক্ষ্য বাংলাদেশের। ঘরের মাঠে নিজেদের সবটা ঢেলে দিতে চায় টাইগাররা।
সিমন্স বলেন, ‘আমরা নিজেদের প্রস্তুত করছি আর ম্যাচটা খেলার দিকেই তাকিয়ে আছি। আগের সিরিজ থেকে কোনো প্রত্যাশা তৈরি হলে সেটা আমাদের সাহায্য করবে না। আমরা তাই সেটা ড্রেসিংরুমের বাইরেই রাখছি।’
তবে পাকিস্তানের তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির লক্ষ্য আরো বড়। চ্যাম্পিনশিপের ফাইনাল খেলার লক্ষ্য তার। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। কীভাবে ফাইনালে কোয়ালিফাই করা যায় ও ফাইনাল খেলা যায়, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
‘দল হিসেবে আমরা সবাই এটি বুঝি যে, টেস্ট ফরম্যাটে আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে হবে। সেই সাথে বাংলাদেশের কন্ডিশন নিয়ে বাস্তবতা তুলে ধরেন আফ্রিদি।
বলেন, ‘আপনি যদি দেখেন, বাংলাদেশ যখন তাদের ঘরের মাঠে খেলে, তখন তারাও স্পিনবান্ধব উইকেট বানায়। যে দলই নিজেদের কন্ডিশনে খেলুক না কেন, তারা সেই কন্ডিশন ব্যবহার করার চেষ্টা করবে।’



