আয়ারল্যান্ড সফরের একমাত্র টেস্টে সহজ জয় পেল নিউজিল্যান্ড। বেলফাস্টে মাত্র সাড়ে তিন দিনের মধ্যে আইরিশদের ইনিংস ও ৭৯ রানে হারিয়েছে কিউইরা। এ নিয়ে নিজেদের ১৩ টেস্টের মধ্যে ১০টিই হারল আয়ারল্যান্ড।
ম্যাচে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিং করতে পাঠায় স্বাগতিকরা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেট হারিয়ে ৪৯০ রান করে টম ল্যাথামের নেতৃত্বাধীন দল। এরপর তাদের আর ব্যাট করতে নামতে হয়নি।
নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৩৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ঘুরে দাঁড়িয়ে ২৩২ রান পর্যন্ত করতে পারে আয়ারল্যান্ড। পরে তাদের ফলো-অন করায় নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে ১৭৯ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিক দল।
কিউইদের হয়ে ২২ চার ও ৩ ছক্কায় ২৯২ বলে ১৮৬ রানের ইনিংস খেলেন টম ব্লান্ডেল। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।
একমাত্র ইনিংসের একপর্যায়ে ৮৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। পরে রাচিন রবীন্দ্রকে নিয়ে ২১৭ রানের জুটি গড়েন ব্লান্ডেল। ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরিতে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১৯৪ বলে ১২১ রানের ইনিংস খেলেন রবীন্দ্র।
পরে আবার ডিন ফক্সক্রফটের সাথে ১৫৮ রান যোগ করেন ব্লান্ডেল। টেস্ট অভিষেকে মাত্র ২ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি ফক্সক্রফট। ৬ চার ও ১ ছক্কায় ১২৯ বলে ৯৮ রান করে আউট হন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার।
আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন মার্ক অ্যাডায়ার।
পরে নাথান স্মিথের তোপে পড়ে মাত্র ৩৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকে অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ও মার্ক অ্যাডায়ার মিলে গড়েন ১১৬ রানের জুটি। অ্যাডায়ার আউট হন ৪০ রান। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন ম্যাকব্রাইন।
সব মিলিয়ে ৪০ রানে ৬ উইকেট নেন স্মিথ। আয়ারল্যান্ডের প্রথম ছয় ব্যাটারের মধ্যে চারজনকে তিনি ফেরান শূন্য রানে। দীর্ঘ টেস্ট ইতিহাসে এর আগে যা করতে পারেননি আর কোনো বোলার।
ফলো-অনে পড়ে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমেও তেমন উন্নতি হয়নি আইরিশদের। এবার ওপেনার স্টিফেন ডোহেনি খেলেন সর্বোচ্চ ৫৭ রানের ইনিংস। এ ছাড়া লরকান টাকারের ব্যাট থেকে আসে ঠিক ৫০ রান।
প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয়টিতেও দারুণ ব্যাটিং করে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন মার্ক অ্যাডায়ার।
দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৭৬ রানে ৫ উইকেট নেন ব্লেয়ার টিকনার।



