সিলেটে শেষ দিনের রোমাঞ্চ, বিজয়ী হাসি কার?

সিলেট টেস্টে জয়ের খুব কাছাকাছি দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ; পাকিস্তানের দরকার আরো ১২১ রান, আর টাইগারদের চাই মাত্র ৩ উইকেট। বৃষ্টির বাধা না এলে পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনেই ইতিহাস গড়ে টানা দুই সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারে বাংলাদেশ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

জয়ের সুবাস মেখে সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার পঞ্চম দিনে কেবল আনুষ্ঠানিকতা সারার পাকা। অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু না ঘটলে প্রথম সেশনেই ফুরাতে পারে সেই অপেক্ষা।

মঙ্গলবার পাকিস্তান দিন শেষ করে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে। যদিও মোহাম্মাদ রিজওয়ান দিন শেষে অপরাজিত ৭৫ রানে। তবে জয়ের জন্য এখনো ১২১ রান প্রয়োজন তাদের। বাংলাদেশের চাই ৩ উইকেট।

তবে চতুর্থ দিনেই ম্যাচ শেষ করে দেয়ার ইচ্ছে ছিল বাংলাদেশ দলের। কিন্তু সেটা হয়নি, গোটা সিরিজে বোলারদের জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং দিনটিতে ৭ উইকেট পর্যন্ত তুলতে পারে টাইগাররা।

তবে অপেক্ষা দীর্ঘ হলেও জয়ের জন্য আত্নবিশ্বাসী বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ শন টেইট। পাকিস্তান বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিতে জেতে পারে! এমন সম্ভাবনার কথা সংবাদ সম্মেলনে উঠলেও টেইট বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা ওদেরকে অলআউট করে দেবো। ওদেরকে গুটিয়ে দেবো, আশা করি।’

জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ৪৩৭ রান। অর্থাৎ চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়ার বিশ্ব রেকর্ড গড়ে জিততে হবে। ক্রিকেট ইতিহাসে এত রান তাড়া করে আগে কখনো জেতেনি কোনো দল।

এ কারণে তৃতীয় দিন শেষে মনে হয়েছিল এই ম্যাচে পাকিস্তানের হার শুধুই সময়ের ব্যাপার। কিন্তু দু’টি জুটিতে ভর করে পাকিস্তান ম্যাচটা জমিয়ে তুলেছে, টেনে এনেছে পঞ্চম দিনে।

এক পর্যায়ে ৫ উইকেটে তিন শ’র কাছাকাছি পৌঁছে যায় পাকিস্তান। তবে শেষ বিকেলে তাইজুলের ২টি উইকেটই পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভেঙে ম্যাচটা ঘুরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের দিকে।

এখন পরিকল্পনা ধরে জিততে পারলেই ইতিহাস। প্রথমবারের মতো কোনো দলের বিপক্ষে টানা চার টেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়বে টাইগাররা। পাকিস্তানকে করবে টানা দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশের কীর্তি।

গতরাতে সিলেটে হয়েছে ভারী বর্ষণ, সকালেও আছে বৃষ্টির আনাগোনা। ঢেকে রাখা হয়েছে পিচ। সকাল ১০টায় খেলা শুরুর কথা থাকলেও তা নিশ্চিতভাবেই হচ্ছে না।