৪০০ পেরিয়ে থামলো বাংলাদেশ

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে মিরপুরে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে টসে হেরে আগে ব্যাট করে টাইগাররা। তবে শুরুটা ভালো হয়নি, ৩১ রানে ২ উইকেট হারায় দল। উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৬.১ ওভারে ১৮ রানে। মাহমুদুল হাসান জয়কে (১৯ বলে ৮) ফেরান শাহীন আফ্রিদি। এরপর থিতু হয়ে ফিরেন সাদমান ইসলাম। ৩০ বলে ১৩ করে স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মুশফিক
মুশফিক |সংগৃহীত

মধ্যাহ্নভোজ থেকে ফিরেই জোড়া উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৮৪/৯। ৪০০ রান তখন অসম্ভব মনে হচ্ছিলো। তবে সব শঙ্কা দূর করে দেন তাসকিন আহমেদ।

তাসকিনের ১৯ বলে ২৮ রানের ইনিংসে ভর করে ৪০০ পেরোয় বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি, মুমিনুল হকের ৯১ ও মুশফিকের ৭১ রানে ১১৭.১ ওভারে নিজেদের প্রথম ইনিংস শেষ করেছে ৪১৩ রানে।

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে মিরপুরে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে টসে হেরে আগে ব্যাট করে টাইগাররা। তবে শুরুটা ভালো হয়নি, ৩১ রানে ২ উইকেট হারায় দল।

উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৬.১ ওভারে ১৮ রানে। মাহমুদুল হাসান জয়কে (১৯ বলে ৮) ফেরান শাহীন আফ্রিদি। এরপর থিতু হয়ে ফিরেন সাদমান ইসলাম। ৩০ বলে ১৩ করে স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি।

এরপর তৃতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক হাল ধরেন। শান্তর ১৩০ বলে ১০১ ও মুমিনুলের ২০০ বলে ৯১ রানের বদৌলতে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। জুটিতে দু’জনে গড়েন ১৭০ রান।

তাদের বিদায়ের পর মুশফিকুর রহিম ৪৮ ও ৩৫ বলে ৮ রান নিয়ে দিন শেষ করেন লিটন দাস।

দিনশেষে মুমিনুল হক বলেছিলেন, দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘন্টা সামলে দিতে পারলে বড় সংগ্রহ সম্ভব।

তবে সেই পথে হাঁটতে পারেনি বাংলাদেশ। শনিবার (৯ মে) দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে ২৪ ওভারে ৭৯ রান তুলতেই হারায় ৩ উইকেট। ৭ উইকেটে ৩৮০ রান নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে যায় টাইগাররা।

দ্বিতীয় দিনে মুশফিক ও লিটন খেলছিলেন দেখেশুনেই। ১১ ওভার সামলেও নেন শাহীন আফ্রিদি-আব্বাসদের। তবে জুটি ৫০ পেরোতেই ভুল করে বসেন লিটন। আব্বাসের বলে আমাদ বাটকে ক্যাচ অনুশীলন করিয়ে ফেরেন ৬৭ বলে ৩৩ রান করে।

এরপর দ্রুত ফেরেন মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলামও। লিটনের মতো মিরাজ (১০) ও তাইজুলকে (১৭) ফেরান আব্বাস। ৩৭৮ রানে ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তখনো আশা হয়ে টিকে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে বিরতি থেকে ফিরেই শেষ হয় তার দৌঁড়। ১১০তম ওভারের তৃতীয় বলে শাহীন আফ্রিদির শিকার হন ১৭৯ বলে ৭১ করে। ৩৮০ রানে ৮ উইকেট হারায় দল।

এরপর ৪ রান যোগ হতেই আব্বাসের পঞ্চম শিকার হন ইবাদত হোসেন (০)। এরপরই তাসকিন পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে দলকে পৌঁছে দেন ৪০০ রানে। আব্বাস ৯২ রানে ৫ ও শাহীন আফ্রিদি ১১৩ রানে নেন ৩ উইকেট।