সমীকরণ মেলাতে পারেননি মিরাজরা

নিজেদের খেলা ইনিংসে ২৯১ বলের মাঝে ১৬৬টিই ডট দিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অর্থাৎ ইনিংসে অর্ধেকের বেশি বলে কোনো রান পায়নি বাংলাদেশ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Dhaka
বল মোকাবেলার দৃশ্য
বল মোকাবেলার দৃশ্য |নয়া দিগন্ত

জয়ের পথেই ছিল বাংলাদেশ। তবে হঠাৎ বদলে গেল সব। হাতে ৫ উইকেট নিয়েও শেষ ৭ ওভারে ৫৬ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেননি মিরাজরা।

নিউজিল্যান্ডের ২৪৭ রান তাড়া করতে গিয়ে ২৬ রানের হারে শেষ হয় ম্যারমেরে ম্যাচটা। যেখানে হারের চেয়েও দৃষ্টিকটু ছিল হারের ধরন। ‘হারানো দিনের’ রঙচটা খেলা উপহার দিয়েছে টাইগাররা।

চার-ছক্কার রোমাঞ্চ তো ছিলই না, ছিল না বলে বলে রান নেয়ার প্রবণতাও। ফলে ২৪৮ রানের লক্ষ্যটাও একটা সময় হতে থাকে পাহাড়সম। যে পাহাড় আর নাগাল পায়নি বাংলাদেশ।

২৫ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১২৪ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জয়ের জন্য ওভারপ্রতি ৫ রানের মতো দরকার। সেখান থেকে টানা ৯০ বলে কোনো বাউন্ডারির দেখা মেলেনি।

শুধু এটুকুই নয়, নিজেদের খেলা ইনিংসে ২৯১ বলের মাঝে ১৬৬টিই ডট দিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অর্থাৎ ইনিংসে অর্ধেকের বেশি বলে কোনো রান পায়নি বাংলাদেশ।

আর এই সময়ে মুহুর্মুহু উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। নিজেদের শেষ ৩৭ রান তুলতেই পতন হয় ৬ উইকেটের। আফিফ-মিরাজরা যেন ব্যাট ধরতেই ভুলে গেছিলেন।

কিছুটা দায় অবশ্য উইকেটকেও দেয়া যায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রাণবন্ত উইকেট প্রশংসিত হয়েছিল দারুণ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও একইরকম উইকেট চেয়েছিল দল। কিন্তু এবারের উইকেটে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। গত অক্টোবরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের মতো হয়তো অতটা মন্থর ও টার্নিং উইকেট এটি অবশ্যই নয়। তবে এই উইকেটেও বাউন্স ছিল কিছুটা অসমান।

বল কখনো কখনো থমকে এসেছে। টার্নও মিলেছে বেশ। শট খেলা ছিল কঠিন। যা আগে ব্যাট করে ঠিকই বুঝে গেছিল কিউইরা। তাইতো তাদের পুরো ইনিংসে ছিল না কোনো ছক্কা।

মিরপুরে ওয়ানডের এক ইনিংসে ছক্কা না হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। অন্যদিকে ৩ ছক্কা হাঁকানো বাংলাদেশ বুঝতে পারেনি নিজেদের ফর্মুলাটাই।