দিনটা ভুলে যেতে চাইবে বাংলাদেশ। মিরপুরে আজ লড়াই করতে পারেনি স্বাগতিকেরা। ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছে পাকিস্তান। যদিও এখনো ২৩৪ রানে পিছিয়ে আছে সফরকারীরা।
শনিবার দ্বিতীয় সেশনে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে থামে টাইগাররা। বিপরীতে ৪৬ ওভারে ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করলো পাকিস্তান।
বল হাতে মোহাম্মদ আব্বাসের পর এদিন ব্যাট হাতে স্বাগতিকদের ভুগিয়েছেন আজান আওয়াইস। অভিষেক ম্যাচেই ফিফটি তুলে ১৩৩ বলে ৮৫ রানে অপরাজিত আছেন তিনি।
৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ শেষ ৬ উইকেট হারিয়েছে ১১২ রানে। পাকিস্তানের হয়ে আব্বাস নেন ৫ উইকেট, ৩ উইকেট নেন শাহীন আফ্রিদি।
শনিবার প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মুশফিকুর রহিম ও লিটন খেলছিলেন দেখেশুনেই। ১১ ওভার সামলেও নেন শাহীন আফ্রিদি-আব্বাসদের। তবে জুটি পঞ্চাশ পেরোতেই ভুল করে বসেন লিটন।
আব্বাসের বলে আমাদ বাটকে ক্যাচ অনুশীলন করিয়ে ফেরেন ৬৭ বলে ৩৩ রান করে। এরপর দ্রুত ফেরেন মেহেদী মিরাজ (১০) ও তাইজুল ইসলাম (১৭)। এই দু’জনকেও ফেরান আব্বাস।
তখনো আশা হয়ে টিকে ছিলেন মুশফিক। তবে বিরতি থেকে ফিরেই শেষ হয় তার দৌড়। শাহীন আফ্রিদির শিকার হন ১৭৯ বলে ৭১ করে। ৩৮০ রানে ৮ উইকেট হারায় দল।
এরপর ৪ রান যোগ হতেই আব্বাসের পঞ্চম শিকার হন ইবাদত হোসেন (০)। ৪০০ রান তখন অসম্ভব মনে হচ্ছিলো। তবে সব শঙ্কা দূর করে দেন তাসকিন আহমেদ। তার ১৯ বলে ২৮ রানের ভর করে ৪০০ পেরোয় দল।
এরপর ব্যাট করতে নেমে ইমাম উল হককে নিয়ে আজান গড়ে তুলেন শতরানের উদ্বোধনী জুটি। তবুও মাত্র ২১ ওভারে। অর্থাৎ ওয়ানডে রীতিতেই ব্যাট করছে সফরকারীরা।
এদিকে, অভিষেক ম্যাচেই ফিফটি তুলে নেন আজাম আওয়াইস। মাত্র ৬৫ বলে এই কীর্তি গড়েন তিনি। ফিফটির পথে ছিলেন ইমামও, তবে সেই সাধ পূরণ হতে দেননি মেহেদী মিরাজ।
২২তম ওভারে এসে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন মিরাজ। ৭২ বলে ৪৫ করে তার এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন ইমাম ১০৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে জুটি ভাঙলেও রক্ষা হয়নি।
এবার আজান জুটি গড়েন আব্দুল্লাহ ফজলকে নিয়ে। ১৪৫ বলে ৭৩ রানের এই জুটি আর ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে হতাশ হয়েই দিন শেষ করতে হয়। ফজল অপরাজিত আছেন ৩৭ রানে।



